মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

বঙ্গবন্ধুসেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত  টেকশই দৃষ্টিনন্দন বাধ হলে  চৌহালীতে গড়ে উঠতে পারে আরেকটি যমুনা সৈকত

মাহমুদুল হাসান, চৌহালী প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

দেশের অন্যতম রাক্ষসি যমুনা নদীর পুর্ব পারে অবস্থানরত টাংগাইল,মানিকগন্জ ও সিরাজগন্জের মানুষের দাবি টেকশই বেরীবাধ ও দৃষ্টিনন্দন সড়ক চাই।  টেকশই দৃষ্টিনন্দন বাধ নির্মাণে চৌহালীতে গড়ে উঠতে পারে আরেকটি যমুনা সৈকত।
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত মেঘা প্রজেক্টের মাধ্যমে বাধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ভাঙ্গন রোধে পরিবেশ ও পর্যটনবান্ধব প্রতিরক্ষা,চায়না এবং বেরীবাধ নির্মাণের বাউবোর উদ্যোগকে স্বাগত জানান নদীর পার ঘেষা মানুষ।
 যমুনা নদীর পার ঘেষা কয়েক জন জাতীয় সংসদ সদস্যর যৌথ উদ্যোগে যমুনা সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত প্রায়  ৮ ‘শত কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প  ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
নদীর পার ঘেষা ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ভুক্তভোগি মানুষ ত্রাণ ও সাহায্য চায় না তারা বাধ চায় ও যমুনা সৈকত দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চায়।  বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছরই যমুনায় ভাঙ্গন  দেখা যায়। যমুনাসেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন রোধ কমিটি, পরিবেশবাদী ও শিশু কিশোর বই খাতা হাতে নিয়ে দৃশ্যমান, দৃষ্টিনন্দন বা চায়না বাধ  ও সড়ক পথ চায়। মেঘা প্রজেক্ট ফাইল  একনেকে পাস ও কাজ সরেজমিনের দিকে তাকিয়ে আছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনী কোথায় আর কত বার বাড়ি ও স্কুল ভাঙ্গলে টেকশই বাধ হবে।যমুনার পুর্ব পারের টাংগাইল, মানিকগন্জ ও সিরাজগন্জের মানুষ ত্রাণ ও সাহায্য চায় না, তারা টেকশই বেরীবাধ,চায়নাবাধ ও দৃষ্টিনন্দন বাধ দেখতে চায়।
 যমুনা সৈকতকে ঘিরে প্রতিরক্ষা বা চায়না বাধ নির্মাণ করা হলে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে ঘুচবে  যুব সমাজের বেকারত্ব।
টাংগাইল, মানিকগন্জজে ও সিরাজগন্জ জেলার যমুনা নদীর পার ঘেষা মানুষের  বেচে থাকার আশ্রায় পাবে। হবে যমুনা সৈকত ও পর্যটন কেন্দ্র।
 যমুনাসেতু আরিচা পর্যন্ত দীর্ঘ ৬০ কিলোমিটার নদীর পার শাসন বাধ,বেরীবাধ, চায়নাবাধ ও সড়ক পথ স্থাপনে চৌহালী হতে পারে যমুনা সৈকত, পর্যটন বান্ধব শহর ও বিনোদন কেন্দ্র।
এপ্রকল্প বাস্তবায়নে যেমন  কর্মসংস্থান হবে,তেমনি ভাঙ্গন রোধ হবে ও যাতায়াতে বাচবে সময় কমবে ভোগান্তি।  বাংলার উন্নয়ন ধারা আরও গতিশিল করতে চৌহালীতে একাজের বড় প্রয়োজন বলে মনে করেন,কৃষক,শ্রমিক, চালক, ছাত্র,শিক্ষক,  মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবিরা। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর