বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

আগৈলঝাড়ায় দুটি পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিয়ে আশংকা

রুবিনা আজাদ,আঞ্চলিক প্রতিনিধি,বরিশাল:
আপডেট সময়: বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারনে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আগে থেকে হাটের অনুমতি না থাকায় শেষ সময়ে এসে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট।

এ বছর উপজেলায় মাত্র দুটি পশু কোরবানীর হাটের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ও গৈলা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স এর সামনের মাঠে রবিবার থেকে পশু কেনা বেচা শুরু হয়েছে। অস্থায়ী পশুরহাট চলবে বুধবার পর্যন্ত।

করোনা সংক্রমন ছড়ানোর আশংকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশনা থাকলেও স্বাস্থ্যবিধির কোন তোয়াক্কা না করেই চলছে হাটে লোক সমাগম ও পশু বেচা কেনা।

থানাও ওসি (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, তিনি রবিবার সরেজমিনে রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের সামনে (বাশাইল) পশুর হাটে ইজারাদার কমিটির লোকজনকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। হাটে প্রবেশ এবং বাহিরের সময়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার করা এবং মাক্স ছাড়া কাউকে হাটে প্রবেশ না করতে দেয়ার উপরও কড়া নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বছর ভারতীয় গরু হাটে না থাকায় পাইকার ও খামারীরা দেশী গরুর দামও হাকছেন একটু বেশী। হাটের প্রথম দিন রবিবার বেচা-কেনা তেমন না হলেও ক্রেতারা হাটে এসে তাদের কোরবানীর পশু পছন্দ করা এবং দাম করে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।

গত বছরের তুলনায় এবছর হাটে বেশী পশু আমদানী হবে বলে জানিয়েছেন হাটের আয়োজকরা। এবছর হাটে আসা সব পশুই দেশী। অন্যান্য বছরের তুলনায় পশুর দাম একটু বেশী চাইছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

অনেক ক্রেতাই শেষ সময়ে গরুর দাম কমার আশায় অপেক্ষা করছেন। বিক্রেতা পাইকার ও খামারীদের অভিযোগ, গরু প্রতি একহাজার থেকে দেড় হাজার টাকা খাজনা নেয়া হলেও তাদের জন্য থাকা খাওয়াসহ বিশেষ কোন সুবিধা দেয়া হয় না হাট কমিটি থেকে।

গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান ও হাট ইজারা কমিটির সভাপতি শফিকুল হোসেন টিটু পাইকারদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাটে পশু নিয়ে আসা পাইকার ও খামারীদের ইউনিয়ন পরিষদের দোতলায় থাকার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া তার হাটে কোন খাজনা নেয়া হয় না, যারা পশু কেনেন তারা যে আর্থিক সহযোগীতা করেন তাই নেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য সবাইকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রাজিহার হাটের ইজারাদার জোনায়েত মোল্লা বলেন, প্রথম দিনে সকালে ৪০টি গরুর মধ্যে ১৪টি বিক্রি হয়েছে। পাইকার ও দুরের ক্রেতাদের অবিযোগ অস্বীকার করে তিনি আরও বলেন, তাদের খাবারের জন্য বাজারে একটি হোটেল সব সময় খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। থাকার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের রুম ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএএফপিও) ডা. বখতিয়ার আল মামুন বলেন, সরকার লকডাউন শিথিল করেছে ঠিক, তার জন্য এলাকায় গরুর হাট বসানো ঠিক হয় নি। তার পরেও যারা অনুমতি পেয়েছে তাদের স্বাস্থ্যবিধি পালনের জন্য বিশেষ কিছু শর্ত আরোপ করেছে সরকার, যা হাট কমিটি প্রতিপালন করছে না। ফলে পশুর হাট থেকে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি এখন সবচেয়ে বেশী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর