মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

সিংড়ায় ইউপি সদস্যের নামে প্রকল্পের টাকা চেয়ারম্যান কর্তৃক আত্নসাতের অভিযোগ

সিংড়া প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

নাটোরের সিংড়ায় এক ইউপি সদস্যের নামে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ২টি রাস্তার সিসি ঢালাই কাজ ইউপি সদস্যের টাকায় র্নিমাণ করে ঠিকাদারীর যোগসাজসে কাগজ পত্র দেখিয়ে বরাদ্দের উত্তোলন কৃত ৪ লাখ টাকা চেয়ারম্যান কর্তৃক আত্নাসাতের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার শুকাশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত এমন অভিযোগ করেছেন একই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ ছোরমান আলী। লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় শুকাশের বেলোয়া ও ঝলঝলিয়া গ্রামে দুটি রাস্তার সিসি ঢালাই কাজের ৪লাখ টাকা বরাদ্দের পি,আই,সি ছিলেন শুকাশ ইউপি সদস্য মোঃ ছোরমান আলী। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী পরিষদের চেয়ারম্যানের পরামর্শ নিয়ে নিজ অর্থায়নে সিমেন্ট,বালি,রড ও শ্রমিক সহ যাবতীয় অর্থ ব্যয় করে ২ মাস আগে রাস্তার কাজ সম্পন করেন ছোরমান আলী।

 

রাস্তা র্নিমাণ শেষে ওই রাস্তার অডিট পর ৪ লাখ টাকার প্রকল্প বরাদ্দ আসলে এই দুটি রাস্তার র্নিমাণ কাজের পি,আই,সি মোঃ ছোরমান আলীর স্বাক্ষর নিয়ে এক ঠিকাদারীর যোগসাজসে কাগজপত্র দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করেন চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ। এদিকে ইউপি সদস্য ছোরমান আলী টাকা চাইতে গেলে প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে আসা বাবদ মোটা অংকের অফিস খরচ দেখান চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ। এনিয়ে দুজনার মধ্যে বিরোধ তৈরী হলে কোন টাকা দিবেন না বলে জানিয়ে দেন চেয়ারম্যান। ভুক্তভোগী ছোরমান আলী বলেন, চেয়ারম্যানের কথামত প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় করে আমি রাস্তা করেছি। রড,সিমেন্ট,ইট,বালি ও শ্রমিকদের সব টাকা দিতে পারি নাই। আশায় ছিলাম প্রকল্পের টাকা পেলেই বাকি পরিশোধ করবো। এখন তারা বাকি টাকা পরিশোধের জন্য আমাকে চাপ দিচ্ছে। আমি ভীষণ মানসিক চাপে আছি। আমি এর সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে সু-ব্যবস্থা চাই। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মজিদ বলেন,অভিযোগ সত্য নয়। প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের আমার কোন ক্ষমতা নাই। যে ঠিকাদার কাজ করেছে সেই ঠিকাদারই টাকা উত্তোলন করেছে। ঠিকাদারের নাম আমার জানা নাই। উপজেলা র্নিবাহী অফিসার এসএম সামিরুল ইসলাম বলেন,অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর