মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

রুপচাঁদার নামে বিক্রি হচ্ছিল নিষিদ্ধ পিরানহা

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

মোঃ নাজমুল হুদা,নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামে রুপচাঁদা মাছের নামে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ। দাম কম বলে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এ মাছের চাহিদা বেশি। এটি তাদের কাছে ‘সমুদ্রের চান্দা’ হিসেবে পরিচিত। শনিবার নগরের বৃহৎ মাছের আড়ত ফিসারীঘাটে অভিযান চালিয়ে ১২’শ কেজি রাক্ষুসে পিরানহা জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এক আড়তদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুকের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন জেলা মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ারুল আমীন, আবুল কালাম আজাদ, কামাল উদ্দিন, কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা শফিউল্লাহ ও নগর পুলিশের সদস্যরা। শনিবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।

 

এ সময় মমিন সওদাগরের আড়তে বিক্রি ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ ২০০ কেজি পিরানহা মাছ পাওয়া যায়। তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের খবর পেয়ে আড়তে বিক্রির জন্য আনা এক হাজার কেজি পিরানহা মাছ ভর্তি ট্রাক রাস্তায় ফেলে পালিয়েছে মালিক ও চালক। মাছগুলো জব্দ করে ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, ‘যে আড়তদারকে জরিমানা করা হয়েছে তিনি তার রেজিস্ট্রার খাতায় পিরানহা মাছকে চাঁন্দা মাছ উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিক্রয়কর্মী জানান- ’ফিসারীঘাটে পিরানহা মাছকে চাঁন্দা বা চাঁদা মাছ বলে বিক্রি করা হয়।

 

’ তিনি বলেন, পিরানহা মাছকে রুপচাঁদা বলে ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। নিষিদ্ধ মাছগুলো সাতক্ষীরা, কক্সবাজার, কুমিল্লা, চাঁদপুর, এমনকি ভারত থেকে চট্টগ্রামের ফিসারীঘাটের আড়তে আসছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যারা নিষিদ্ধ মাছ চাষ, বিক্রি ও সংরক্ষণ করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ারুল আমীন জানান, বাংলাদেশের জলজ পরিবেশের সঙ্গে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ সংগতিপূর্ণ নয়। এগুলো রাক্ষুসে স্বভাবের। অন্য মাছ ও জলজ প্রাণীদের খেয়ে ফেলে। দেশীয় প্রজাতির মাছ তথা জীববৈচিত্র্যের জন্য এগুলো হুমকিস্বরূপ।

 

এ কারণে সরকার ও মৎস্য অধিদপ্তর আফ্রিকান মাগুর ও পিরানহা মাছের পোনা উৎপাদন, চাষ, উৎপাদন, বংশ বৃদ্ধিকরণ, বাজারে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পিরানহা এবং ২০১৪ সালের জুন থেকে আফ্রিকান মাগুরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর