সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’ রাণীনগরে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেড়িয়ে প্রাণ গেল কিশোরের! আহত ৫ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৩৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গুড়ায় ভিজিডি চাল বিতরণে অর্থ আদায়ের অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন

ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধি:

ভাঙ্গুড়ায় ভিজিডি চাল বিতরণে দুস্থ কার্ডধারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার খাঁনমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আছাদুর রহমানের বিরুদ্ধে । মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে খাঁনমরিচ ইউনিয়ন পরিষদে ৫২১ জন কার্ডধারীর মাঝে চাল বিতরণকালে এ টাকা নেয়া হয়। এদিকে এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সুফলভোগী নারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ভিজিডি কার্যক্রমের বরাদ্দকৃত চাল ৫২১ জন কার্ডধারীর জন্য উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে উত্তোলন করেন ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুর রহমান। মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় কার্ডধারীর কাছ থেকে চাল আনতে পরিবহন খরচ বাবদ ১০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন কার্ডধারীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কার্ডধারী এক বিধবা বলেন, মাইকিং করে এবং গ্রাম পুলিশ বাড়িতে পাঠিয়ে পরিবহন খরচের জন্য ১০০ টাকা আনতে বলেছে। আমি দিন আনি দিন খাই। আমার টাকা কামানোর কোন সামর্থ্য নাই ১০০ টাকা কইপাব। দুমুঠো খেতে হবে তাই খুব কষ্টে ১০০ টাকা জোগাড় করে এনেছি। তবে ঘটনাস্থলে ট্যাগ অফিসার দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শ্রীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মোঃ শরীফ উদ্দিন জিন্নাহ বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে চাল বিতরণ কালে কার্ডধারীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে পরিবহন খরচ বাবদ আদায় করা হয়েছে।

গ্রাম পুলিশ মোঃ আব্দুল মজিদ ও ফরজ আলী বলেন, অনেক মেম্বারের উপস্থিতিতে ১০০করে টাকা আদায় করা হয়েছে ।
জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুর রহমান বলেন, কার্ডধারীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার কথা শুনেই আমি বন্ধ করে দিয়েছি।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসনাৎ জাহান বলেন, কার্ডধারীদের কাছ থেকে টাকা নেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। পরিবহন খরচ সরকারিভাবে পরিশোধ করা হয়। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আশরাফুজ্জানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাকি বিল্লাহ বলেন,করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সুফলভোগী নারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় নিন্দা ও দুঃখ জনক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর