মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

রামুর গর্জনিয়াতে খালের বালি তোলার কারণে শতশত পরিবার হুমকির মুখে

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন

মোহাম্মদ জিয়া কক্সবাজার প্রতিনিধি:

রামুর গর্জনিয়াতে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে বড় গজ্জই খাল ও বাকখালি নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে একটি প্রভাবশালী মহল।ইউনিয়নের এই দুই নদীর প্রায় পাঁচটি স্থান থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলি বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে বন্যার সময় হুমকির মুখে পড়ে গর্জনিয়া শত শত পরিবার । সেই সাথে ক্ষতির মুখে পড়ে ফসল উৎপাদন ছেড়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে হচ্ছে অসংখ্য গরিব কৃষকদের। এলাকাবাসী জানান গত কয়েকদিন আগে বন্যার কারণে এলাকার কিছু রাস্তা খুবই ক্ষয়ক্ষতি হয়। বন্যায় ক্ষতি হওয়া রাস্তা গুলো মেরামতের জন্য এগিয়ে আসেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ।

 

কিন্তু গর্জনিয়ার ইউপি সদস্য আব্দুর জব্বার তার এলাকায় ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তাটি তিনি নিজেই মেরামত করবে বলেন। কিন্তু দেখা যায় তিনি রাস্তা মেরামতের নাম দিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় আবারও নদী থেকে বালি উত্তোলন করে থোয়াঙ্গাকাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পাহাড় করে নেন এবং ঐখান থেকে বালি বিক্রি শুরু করে। স্থানীয় কিছু যুবক বলেন থোয়াঙ্গেরকাটা ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তা বিনামূল্যে মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছিলো যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। স্থানীয়দের সাথে কথাও হয়েছিলো। কিন্তু ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল জব্বার জানিয়েছিলো চেয়ারম্যান এবং ওনার সহায়তায় এই রাস্তা মেরামত করে দিবেন। কিন্তু এখন রাস্তা মেরামতের নাম করে মেম্বার আব্দুল জব্বর স্কুলের মাঠ ভর্তি করেন বালু তুলে।

 

সেই বালি গুলো পিক আপ ভরে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এইভাবে প্রতিনিয়ত প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে নদীর বালি উত্তোলনের মাধ্যমে গর্জনিয়ার অধিকাংশ এলাকা নদীতে বিলীন করে দিচ্ছে। স্থানীরা বলেন গর্জনিয়ার শত শত পরিবার দিন দিন চিন্তিত হয়ে পড়ছে। তাদের চোখে ঘুম আসছে না এলাকার ভয়াবহতার চিন্তায়। পরিবেশ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনার পাশাপাশি কঠোর হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর