শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

বেশি বেশি পরীক্ষায় জোর সফররত চীনা চিকিৎসকদের

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চীনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বা টিকা তৈরিতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। চীনের কোম্পানি ভ্যাকসিন তৈরিতে সফল হলে বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেই ভ্যাকসিন দেবে চীন। রোববার বিকেলে কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ডিক্যাবের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা জানান সফররত চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা করোনা মোকাবিলায় বেশি বেশি পরীক্ষা ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে লকডাউন কার্যকর করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে মানুষের অসচেতনতায় হতাশা প্রকাশ করেছেন এই বিশেষজ্ঞরা। এ সময় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়া লং ইয়ান জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ আরও কীভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে সে সম্পর্কে সুপারিশসহ চারটি প্রতিবেদন জমা দেবে চীনা বিশেষজ্ঞ দল।

 

এক সপ্তাহের মধ্যে এগুলো চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অনলাইনে জুম ক্লাউড প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত এ সভায় ডা. শুমিং জিয়ানু সফররত চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় ডিক্যাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি আঙ্গুর নাহার মন্টি। ডা. জিয়ানু বলেন, প্রতিটি দেশে কভিড-১৯ মহামারি একেক ধরনের অবস্থা তৈরি করেছে। যেমন চীনের তুলনায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে স্বাস্থ্যকর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে উপসর্গবিহীন সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে বলে তারা অগোচরেই সংক্রামক হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি আরও বেশি পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং মানুষের সচেতনতা। তিনি উপসর্গ ধরে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ফুসফুসে সংক্রমণ হলে যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে কোন অ্যান্টিবায়োটিক কী মাত্রায় দিতে হবে তা নির্ধারণ করতে হবে।

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন সংক্রমণের সর্বোচ্চ অবস্থা (পিক) চলছে কিনা তা বলা যাচ্ছে না। যে পরিস্থিতি দেখা গেছে তাতে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ব কবে করোনাভাইরাসমুক্ত হবে কিংবা এ ভাইরাসের স্থায়িত্ব কতদিন হবে তা কেবল এ বিষয়ের গবেষকরাই বলতে পারেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন বলেন, বাংলাদেশ চীনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতম বন্ধুরাষ্ট্র। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর পরামর্শ দেওয়ার জন্যই চীনা বিশেষজ্ঞ দলের বাংলাদেশ সফর। শিগগির যে প্রতিবেদন দেওয়া হবে সেখানে এ পরামর্শগুলোই থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর