মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

সিংড়ায় ধুলো আবর্জনা মিশিয়ে রাস্তা সংস্কার

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

মোঃ এনামুল হক বাদশা,সিংড়া (নাটোর)প্রতিনিধি:

সিংড়ায় ইটালী পয়কাম্বার ব্রীজ হতে ইউনিয়ন পরিষদ ভবণ পর্যন্ত ১ কিলো ৮০মিটার পাকা সড়ক সংস্কার কাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, রাস্তা সংস্কার কাজে খোয়ার পরিবর্তে মাটি, ধুলো-ময়লা ও পুরোনো রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। যত্রতত্র ভাবে রাস্তা সংস্কারে গুনগত মান এতটাই খারাপ করা হচ্ছে যে এটা দেখতে মাটি ও আবর্জনার কাজ মনে হচ্ছে। সিংড়া উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সিংড়া উপজেলা গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইটালী পয়কাম্বার (আজরাঈল) ব্রীজ হতে ইউনিয়ন পরিষদ ভবণ পর্যন্ত ৫০লক্ষ টাকা মূল্যে ১ কিলো ৮০মিটার পাকা সড়ক সংস্কার কাজ পান রাজশাহীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আলমগীর।

 

কিন্তু কাজটি পরে বাগাতিপাড়ার জনৈক ব্যক্তি মো. পারভেজ বাচ্চু মিয়ার কাছে বিক্রয় করে দেয়া হয়। সোমবার বিকালে সরোজমিনে ইটালী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সংস্কার কাজে খোয়ার পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে পুরোনো রাবিশ ও মাটি এবং ময়লা-আবর্জনা। তড়ি ঘড়ি করে যত্রতত্র ভাবে রুলিং করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, সিংড়াতে রাস্তা সংস্কারের পরের দিনই কার্পেটিং উঠে যায়। আর এসব বিষয়ে কথা বললে তাকে বিপদেও পড়তে হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ভুট্রু মিয়া বলেন, মাটি ও আবর্জনা দিয়ে রাস্তা করলে আমাদের কি বা করার আছে। কথা বললেই তো দোষ। ঠিকাদার মো. পারভেজ বাচ্চু মিয়া বলেন, এটা পুরোনো কাজ। মাত্র তিনটি জায়গায় খোয়া ধরা রয়েছে।

 

তাই যেখানে যেখানে খোয়া ধরা হয়েছে শুধু সেখানেই খোয়া দেয়া হচ্ছে। বাঁকিটা পুরোনো অবস্থার উপরই কাজ করা হচ্ছে। কাজ তদারকি কাজে নিয়োজিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম হোসেন বলেন, আগের খোয়া তো তাই কিছুটা মাটি থাকবেই ভাই। তবে পানি দিয়ে ধুয়ে দিলে মাটি ও আবর্জনা ধুয়ে যাবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর