সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’ রাণীনগরে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেড়িয়ে প্রাণ গেল কিশোরের! আহত ৫ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৩৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিষেধাজ্ঞার পরেও বরিশালে কিস্তির আদায়ে এনজিও’র চাঁপ প্রয়োগ

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

রুবিনা আজাদ, আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল:
করোনার বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের কারণে সরকার ঘোষিত সবধরনের ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে সীমিত পরিসরে অফিস-আদালত খুলে দেয়ার পর বিভিন্ন এনজিও’র মাঠকর্মীরা জেলার প্রতিটি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কিস্তির টাকা আদায়ের জন্য মাঠে নেমেছে। ফলে এখনও কাজে যোগদান করতে না পারায় ঋণ গ্রহিতা দিনমজুর পরিবারের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এনিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রমতে, সরকারের নির্দেশে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এনজিও ঋণ শ্রেণিকরণ কার্যকর হবেনা বলে নির্দেশনা জারি করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। একইসঙ্গে নির্ধারিত সময় শেষে কোন প্রকার জরিমানা ছাড়াই বকেয়া কিস্তি গ্রহণ করা হবে। কিন্তু বরিশালের অধিকাংশ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত এনজিওগুলো এ নির্দেশনা না মেনে মাঠকর্মীদের দিয়ে সরকার থেকে লকডাউন উঠিয়ে নেয়া হয়েছে বলে প্রচার করে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কিস্তির টাকার জন্য চাঁপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

তবে করোনার চলমান ক্লান্তি লগ্নে অধিকাংশ এনজিও’র পক্ষ থেকে ঋণ গ্রহিতাদের কোন ধরনের সহযোগিতার খবর পাওয়া যায়নি। জেলার বিভিন্ন উপজেলার ও সিটি কর্পোরেশন এলাকার ঋণ গ্রহিতারা অভিযোগ করে বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে চরম আতঙ্কের মধ্যে একদিকে আমরা যেমন কর্মহীন হয়ে পরেছি, তেমনি করোনা থেকে নিজেদের বাঁচাতে সরকারের নির্দেশে ঘরে থেকে মানবেতর জীবন যাপন করছি। এরইমধ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এনজিও’র মাঠকর্মীরা কিস্তির টাকার জন্য চাঁপ প্রয়োগ করে আসছে।

গৌরনদীর গেরাকুল গ্রামের ঋণগ্রহিতা রিকসা চালক হেলাল বেপারী ও কালাম সিকদার বলেন, করোনার ঝুঁকির মধ্যেও প্রতিদিন পরিবারের সদস্যদের আহারের জন্য বের হয়ে আগের মতো আয় রোজগার হচ্ছেনা। বর্তমানে তেমন কোন লোক রাস্তায় বের হচ্ছেন না। তারা আরও বলেন, আগে রিকসা চালিয়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচশ’ টাকা আয় হলেও এখন সারাদিনে একশ’ টাকা আয় হচ্ছেনা। এ অবস্থায় এনজিও’র মাঠকর্মীরা কিস্তির টাকার জন্য চাঁপ দিয়ে যাচ্ছে। চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের আয়-রোজগার নেই বললেই চলে। তাই কিস্তির টাকা এখন কিভাবে দিবো বিষয়টি মাঠকর্মীদের বার বার বলা সত্বেও তারা তা মানছেন না।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এনজিওগুলো কিস্তির টাকা আদায় করবে না বলে এমআরএ থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছিলো। নির্ধারিত তারিখের আগেই মাঠপর্যায়ে কিস্তি আদায় কিংবা চাঁপ প্রয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টির খোঁজখবর নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর