মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

করোনা আক্রান্ত ফরিদ বাবুর আকুতি শেরপুরের মার্কেট গুলো দ্রুত বন্ধ করা হোক অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

শেরপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি:
আমার কোন উপস্বর্গ নেই তারপরেও আমি করোনা আক্রান্ত হয়েছি। আমি নিজেকে সুস্থ্য অবস্থায় কোন কারন ছাড়াই পরীক্ষা করাই। রিপোর্ট আসছে পজেটিভ। অথচ রিপোর্ট আসার আগে আমি নিজেকে সুস্থ মনে করে পবিারের প্রয়োজনে বাজার করেছি। মার্কেট খোলা থাকায় মেয়ের জন্য মার্কেট করেছি। এখন বুঝতে পারছি এসব আমার ঠিক হয়নি। যে কারনে আমার বাসার সকলের করোনা পরীক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ঠদের সহযোগিতা কামনা করছি। এভাবেই মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের কাছে আকুতি জানিয়েছেন শেরপুর হাসপাতাল রোডের বাসিন্ধা আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শেরপুর উপজেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ ফরিদ বাবু।

১৯ মে মঙ্গলবার রাতে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল কাদের ফরিদ বাবুর শরীরে করোনা পজেটিভ বিষয়টি নিশ্চিত করেন বগুড়া শেরপুরে জনসাধারন সরকারী নিয়ম নীতি বা স্বাস্থ্য বিধি না মেনে উল্টো বেপরোয়া চলাফেরা করে ঈদ মার্কেট করায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের এমন চলাফেরা দেখে সচেতন মানুষ অনেকটাই অচেতন হওযার পথে। করোনা সময়ে লক ডাউন কিছুটা শিথিল থাকায় গত এক সপ্তাহে উপজেলার প্রানকেন্দ্র মার্কেট ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।

এ নিয়ে ফেসবুকে নানা ধরনের মন্তব্য ও ভডিও চিত্র প্রকাশ হয়েছে। তার পরেও ফিরে আসে নাই মার্কেটের নিয়ম শৃক্সখলা। স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত শেরপুরের মার্কেট গুলো বন্ধ করে উপজেলায় বহিরাগতদের প্রবেশ কঠোর ভাবে বন্ধ করা হোক। এমনটাই দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যথায় করোনার কান্না ভয়াবহ রুপ নিতে পারে।

উল্লেখ্য যে, শেরপুর উপজেলার ৩২০ টি গ্রামের প্রায় ৩০ লাখ মানুষের বসবাস। সেই সাথে ধুনট ,সারিয়াকান্দি, নন্দীগ্রাম, শাহজাহানপুর, তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলার বাসিন্দারা এ মার্কেট গুলো থেকেই কেনা কাটা করে থাকে। তাদের বিরাট একটা অংশই রয়েছে গার্মেন্টস কর্মী। এ ছাড়াও ঢাকা থেকে নানা ভাবে এ উপজেলাতে মানুষের আগমন দিন দিন বেড়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর