শনিবার , ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

আটোয়ারীতে আলিম শিক্ষার্থীকে দিয়ে দাখিল পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগ আটক এক

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে মাদ্রাসা থেকে আলিম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। এদিকে পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব ওই ভুয়া পরীক্ষার্থী মাহফুজকে (১৭) চিহ্নিত করে থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মির্জাপুর মাওলানা আজিম উদ্দিন আলিম মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে। আটক শিক্ষার্থী মাহফুজ একই উপজেলার লক্ষিপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার আলিম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে ধামোর ইউনিয়নের গাছবাড়ী সরকারপাড়া গ্রামের আব্দুল রহিমের ছেলে। জানা গেছে, মির্জাপুর মাওঃ আজিম উদ্দীন আলিম মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে মঙ্গলবার (৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের দাখিল পরীক্ষা। আর এ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী মির্জাপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ শাহজাহান এর স্থলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আলিম শিক্ষার্থী মাহফুজ। গোপনে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর বিষয়টি কেন্দ্র সচিব আব্দুল মান্নান জানতে পারেন। তিনি ভুয়া পরীক্ষার্থী শনাক্ত করে থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানা হেফাজতে নেয়। আটক শিক্ষার্থী মাহফুজের পরিবারের অভিযোগ তাকে মাদ্রাসা থেকে ভুল বুঝিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়েছেন ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকার। আটক শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল রহিম বলেন, আমার ছেলে মাদ্রাসায় তার আলিমের টেস্ট পরীক্ষা দিতে বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যায়। কিন্তু দুপুরে খবর আসে তাকে দাখিল পরীক্ষার একটি কেন্দ্র থেকে পুলিশ আটক করেছে। আমার সন্তান এমন কাজের সাথে যুক্ত নয়, তাকে ভুল বুঝিয়ে সেখানে নিয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। আটক শিক্ষার্থীর সহপাটি আবু সুফিয়ান বলেন, গত ৩-৪ দিন ধরে মতিন হুজুর আমাদের এক পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলে। কিন্তু আমরা না করি। এর মাঝে আমরা আজ সকালে মাদ্রাসায় টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাওয়ার পথে হুজুর তাকে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এর মাঝে পরীক্ষায় কোন সমস্যা হবে না বলে তাকে সাহস দেয় হুজুর। এখন আমার বন্ধুকে ফাঁসিয়েছে হুজুর। আমরা হুজুরের বিচার ও আমার বন্ধুর মুক্তি চাই।

এদিকে স্থানীয়রা বলেন, লক্ষিপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ওই অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্যসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। একাধীকবার বিভিন্ন অপকর্ম করেছে। তিনি একজন অসহায় কৃষক পরিবারের সাধারণ শিক্ষার্থীকে এমন কাজে ফাঁসিয়ে তার জীবন শেষ করে দিলো। আমরা এ ঘটনার বিচার দাবি করছি এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। তবে শিক্ষার্থী আটকের পর অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মতিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে পাওয়া যায় নি। কেন্দ্র সচিব আব্দুল মান্নান বলছেন মূল পরীক্ষার্থী শাহজাহানকে এ ঘটনার বহিস্কার করা হয়েছে এবং আটক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেদুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ সহ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এর সাথে অন্য কেহ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।