শুক্রবার , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১০ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

নান্দাইলে তথ্য গোপন করে ৩ একর জমি খারিজ করার অভিযোগ, আপিল দায়ের

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের বারুয়াপাড়া গ্রামের পিতামৃত আবদুল গফুরের পুত্র মোঃ আবদুল মোতালিব বিক্রিত জমি সহ সিংরইল মৌজার বিভিন্ন দাগে নিজে ইতি পূর্বে বিক্রিত জমি সহ তথ্য গোপন করে নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে ৩ একর .৩৯ শতক জমি নিজ নামে খারিজ করে নেবার এক গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। উদং গ্রামের মৃত জুবেদ আলীর পুত্র অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ হাফিজ উদ্দিন জানান, তিনি মোঃ আবদুল মোতালিব, সুরুজ আলী ও আবদুল ছমেদ (লেবু) এর নিকট থেকে ৩টি সাফ কাওলা দলিল মূলে ২০০২ সনে এবং ২০০৪ সনে মোট .৫৬ শতক ভূমি এবং পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় .১২ শতক ভূমি আবদুল মোতালিব বিগত ৬ই ডিসেম্বর ২০২৩ সনে সিংরইল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ফারুক শিকদারের সাথে গোপন সমন্বয় করে জমির প্রকৃত অবস্থা যাচাই বাছাই না করে আবদুল মোতালিবের নামে এককভাবে নাম খারিজ করে দেন। নাম খারিজ খতিয়ান নাম্বার ১৭৪৬ মামলা নং ২৭৯৫ (ix-1) ২০২৩-২৪। নাম খারিজ করার পর গত ৩০ শে জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে আবদুল মোতালিব ও তার পুত্রদের সাখে নিয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মোঃ হাফিজ উদ্দিনের দখলীয় জমিতে প্রবেশ করে জোর পূর্বক দখলে নিয়ে যায়। এসময় জমিতে চাষরত হাফিজ উদ্দিনের ছোট ভাই মোঃ তফিজুর রহমান বাবুলকে মারধর করে জমি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। তাদের মারপিটে বাবুল গুরুতর আহত অবস্থায় কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অবশেষে মোঃ হাফিজ উদ্দিন উক্ত নামজারি খারিজ বাতিল করার জন্য গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৪ নান্দাইল সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে রিভিউ আবেদন দাখিল করেছেন। উক্ত আবেদনের উপর ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানীর নির্ধারিত তারিখে বিবাদী মোঃ আবদুল মোতালিব সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে অনুপস্থিত থাকেন। নান্দাইল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অরুণ কৃষ্ণ পাল শুনানীকালে বলেন, বিষয়টি আমলে নেয়া হয়েছে এবং সরজমিনে তদন্ত করে প্রকৃত রিপোর্ট দেবার জন্য সিংরইল ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ারকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে .৪৮ শতক জমির খারিজ ও নামজারি বাতিল করা হবে। উল্লেখ্য, মোঃ আবদুল মোতালিবের পুত্র মোঃ ফারুকজ্জামান ফারুক ভূয়া কাগজপত্র সৃজন করে এই অর্পকের সাথে জড়িত বলে বাদী মোঃ হাফিজ উদ্দিন উল্লেখ করেন। এছাড়া এই পরিবার সহ এলাকার অনেক পরিবারের সঙ্গে ফারুকুজ্জামান ফারুকের পরিবারের সাথে নানা ধরনের গোল যোগ সহ মামলা মোকাদ্দমা চলমান রয়েছে বলে জানাগেছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।