শুক্রবার , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১০ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

হাঁস পালন করে ৬ মেয়ের মধ্যে ৪ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ফরদিুল

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪

ভ্রাম্যমাণ খামারে হাঁস পালন করে সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা। বছরের পুরোটা সময় খামারের আয় দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। হাঁসের ডিম এবং হাঁস বিক্রি করেই সাবলম্বী হয়েছেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার খড়মকুড়ি গ্রামের ফরিদুল রহিদুল।

হাঁস ডিম বিক্রির টাকায় সংসার খরচ বাদে অল্প অল্প করে জমানো টাকায় ৬ মেয়ের মধ্যে ৪ মেয়েকে বেশ ধুমধাম করে বিয়ে দিয়েছেন ফরিদুল ইসলাম (৫৪)। বাকি দুই মেয়ে এখন ছোট, তাই তাদের জন্য সংসার খরচ বাদে সঞ্চয় করছেন তিনি। রহিদুল ইসলাম (৩৪) স্ত্রী মা আর এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। স্বচ্ছল ভাবেই চলছেন তিনি। প্রতি বছর তারা হাঁসের বাচ্চা কিনে পথে-প্রান্তরে, খাল-বিল ও উম্মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালন করে। তাদের ভাষায় ‘তারা ভ্রাম্যমাণ হাঁস খামারি’, প্রতিবছর এক ঝাক হাঁস নিয়ে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার খড়মকুড়ি গ্রাম থেকে নওগাঁর রাণীনগরে চলে আসে। ১ থেকে ২ মাস পর আবার ফিরে যান নিজ উপজেলায়। সিংড়া উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রাই নদীর জলাধারগুলো বেছে নেন তারা। খাল-বিলের বাড়তি খাবারের সাথে দিনের নির্দিষ্ট সময় এক বার বাজার থেকে কেনা ফিট জাতীয় দানাদার খাদ্য খেতে দেন হাঁসগুলোকে। রোগ-বালাই দেখা না দিলে হাঁসের বাচ্চার বয়স ৩থেকে ৪ মাস হলেই ডিমের দেখা মিলে। আর ৬ থেকে ৭ মাসে পুরোদমে ডিম দেয়। আবহাওয়া ভেদে ডিম দেওয়ার সংখ্যা কমে বাড়ে। বছর শেষে ডিম দেওয়া একেবারেই কমে গেলে হাঁস গুলো বাজারে বিক্রি করে দেন। এতে মোটা অঙ্কের টাকায় লাভ হয়। এ ভাবে হাঁস পালনের মাধ্যমে তাদের সুদিন ফিরেছে।

সারা দিন হাঁস চরিয়ে রাতের বেলা অস্থায়ীভাবে তৈরি বাঁশের বানা আর নেট জাল দিয়ে ঘের করে হাঁসগুলো নিয়ে থাকছেন তারা। কয়েক দিন পর খাবারের সন্ধানে হাঁসের পাল নিয়ে চলে যাচ্ছেন অন্য এলাকায়। এভাবে ঘুরেঘুরে হাঁস পালনে খাবারের খরচ নেই বললেই চলে। লাভজনক হওয়ায় এ পদ্ধতিতে হাঁস পালনে আগ্রহীর সংখ্যা বোড়ছে।

খামারি ফরিদুল ইসলাম ও রহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের দুইজনের বর্তমানে ১ হাজার ৮০ টি হাঁস রয়েছে। প্রতিদিন সাড়ে তিনশত করে ডিম দিচ্ছে। প্রতিদিন স্থানীয় ডিম ব্যবসায়ীদের কাছে একশত ডিম ১হাজার ৭৮০ টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করছি। দুই দল হাঁস চড়ানোর জন্য দুইজন কর্মচারি রেখেছেন তারা। তিন বেলা খাওয়া সহ একেক জন কর্মচারিকে মাসিক বেতন দিতে হয় ৯ হাজার টাকা করে। এছাড়াও প্রতিদিন ৩ হাজার টাকার ফিট খাওয়াতে হয় হাঁসগুলোকে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।