শুক্রবার , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১০ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

কনকনে শীত আর কুয়াশাচ্ছন্ন প্রকৃতিতেই ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪

সূর্যের দেখা নেই, প্রকৃতিতে বয়ছে হাড় কাঁপানো হীমেল হাওয়া আর কুয়াশা। এরই মধ্যে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার চাষীরা পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে ইরি-বোরো ধান রোপণের যাবতীয় কাজ। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে ধানের উৎপাদন কমে যাওয়া সহ ধানগাছে বিভিন্ন ধরনের পোকার আক্রমণ হতে পারে এমন শঙ্কায়ও রয়েছেন কৃষক।

রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফারজানা হক বলেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় ১৯ হাজার দুইশত হেক্টর জমিতে ধান চাষ করছেন চাছিরা। এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৭৫০হেক্টর জমিতে ধান রোপণের কাজ শেষ হয়েছে।

এ বছর ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লক্ষ ১৭ হাজার ১২০ মেট্রিক টন। যা চাল আকারে ৮৭ হাজার ১০ মেট্টিক টন ধরা হয়েছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এ উপজেলার সদর, বড়গাছা, কালীগ্রাম, গোনা, একডালা সহ মোট ৮টি ইউনিয়নেই ইরি-বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৌষের কনকনে ঠা-া উপেক্ষা করে ধানের জমি প্রস্তুত, বীজতলা থেকে ধানের চারা তোলা, সার ছিটানো ও ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত চাছিরা।

অধিকাংশ কৃষক বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে ধানের উৎপাদন কমে যাবে। চলমান কুয়াশাচ্ছন্ন অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে ধানগাছে বিভিন্ন ধরনের পোকার আক্রমণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদের খরচের বোঝা আরও বেড়ে যাবে।

রাণীনগর উপজেলার সিস্বা গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা (৩৬), আলাউদ্দিন ফকির (৫২) জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের এবং অন্যের কিছু জমি চাষ করে আসছেন। গত বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলনও ভালো হয়েছিল। নিজের খোরাকি রেখে বাঁকি ধান বাজারে বেশ ভাল দামে বিক্রি করেছিলেন।

আলাউদ্দিন ফকির চলতি বছর ১৫ বিঘা, মাসুদ রানা প্রায় ১০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে ফলনও বেশ ভাল হবে বলে আশা করছেন। তবে পানি সেচের দাম ও শ্রমিকের মজুরি নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন।
সেচের দাম ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় খরচ পোষানোর শঙ্কায়ও রয়েছেন তারা। বর্তমানে প্রতি বিঘা জমিতে ধান রোপণের জন্য শ্রমিকদের দিতে হচ্ছে ১৭ শত টাকা, গভীর নলকূপের সেচ মূল্য ২ হাজার টাকা, অগভীর নলকূপের (ডিজেল চালিত) ৫ হাজার টাকা।

এছাড়া জমি চাষ শুরু থেকে ধান কাটার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরণের সার ৩ বার এবং ৪ বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়। সব মিলিয়ে ধান উৎপাদন করতে বিঘা প্রতি ১৬-১৭ হাজার টাকা খরচ হয়। আর ধান কাটা-মাড়াই এর খরচ তো আছেই।
চলতি সৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি জিরাশাইল জাতের ধান চাষ হচ্ছে। এছাড়াও ব্রি ধান ৮৯, ৯২, বঙ্গবন্ধু ১০০ এবং কাটারি জাতের ধান চাষ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।