শুক্রবার , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১০ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

নতুন সেচের পানিতে মিলছে পাখির খাদ্য 

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪
অবাধে গাছপালা কেটে উজাড় করা হচ্ছে বন জঙ্গল। এক সময় টাঙ্গাইলের গোপালপুরের বিভিন্ন বাড়ির পিছনের বাঁশঝাড় বা জঙ্গলে সন্ধ্যায়, পাখির ঝাঁকের কলতানে কাজ শেষে ক্লান্ত হয়ে ফেরা মানুষের মনে প্রশান্তি ফিরতো। পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙতো গ্রামের মানুষের। খাদ্য ও বাসস্থানের সমস্যার কারণে পাখির ঝাঁকের সেই নয়নাভিরাম দৃশ্য আর চোখেই পরে না।
মাঘ মাসের শুরুতেই কৃষকরা বোরো ধানের চারা লাগানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে, জমিতে হালচাষের জন্য দেয়া নতুন সেচের পানি পেয়ে,ধান কাটা জমি থেকে উঠে আসছে কীট পতঙ্গ, এগুলো খাওয়ার জন্য দল বেঁধে উৎসবমুখরভাবে জমিতে অবস্থান নিচ্ছে বক, কালো ফিঙে, শালিক, দোয়েল ইত্যাদি পাখি। উপজেলাজুড়ে সরেজমিনে এই দৃশ্য দেখা গেছে, এসব দৃশ্য দেখে খুশি কৃষরাও ।
বনমালী গ্রামের কৃষক হারুন মিয়া বলেন, অনেক দিন পর এরকম ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি দেখে ভালোই লাগছে। সেচে পানি দেয়ার সাথে সাথেই ওরা ক্ষেতে এসে বসে। জমি হাল বাওয়া শেষ হলে ওরা অন্য জমিতে যেয়ে বসতেছে।
জমিতে হাল চাষের টিলারের মালিক আলমগীর মিয়া বলেন, গাখিগুলো হাল বাওনের সময় খেতে আসে , আমার ওদের কোন ক্ষতি করি না।
গোপালপুরের বাসিন্দা প্রকৃতিপ্রেমী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খাদ্য ও বাসস্থানের অভাবে দেশীয় পাখি দিন দিন কমে আসছে। আগের মতো সকাল সন্ধ্যা পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতে ব্যক্তি উদ্যোগে বেশি বেশি পাখির অভয়ারণ্য তৈরি করা উচিৎ ।
এদিকে পাখি শিকারিদের আইনের আওতায় এনে, পাখিদের অবাধ বিচরণের জন্য পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলার জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের কাছে  দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।