বৃহস্পতিবার , ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৯ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ঝালকাঠিতে নদী পাড়ের দুর্গম গ্রামে নেই স্কুল, প্রাথমিক শিক্ষা বঞ্চিত অসংখ্য শিশু

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৩

নদী পাড়ের চরে দুর্গম গ্রাম, নেই পাকা রাস্তাঘাট। এ যুগেও সাঁকো পেড়িয়েই যাতায়াতাতের পথ। স্থানীয় গ্রামবাসী ছাড়াও এখানে রয়েছে আশ্রায়ণ প্রকল্পে থাকা জনবসতি। কিন্তু শিশুদের জন্য নেই কোন স্কুল। তিন মাইলের দুর্গম পথ হেঁটে যেতে হয় পাশের গ্রামের স্কুলে। ফলে অনেক শিশু পাচ্ছেনা প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ।

ঝালকাঠি জেলা সদরের সুগন্ধা নদীর দক্ষিন পাড়ের গ্রাম চর কুতুবনগর। নদী বেষ্টিত গ্রামটিতে যাতায়াতে এখনও পাকা সড়ক তৈরি হয়নি বাঁশের সাঁকোই পাড়াপাড়ের একমাত্র অবলম্বন। তবে গ্রামের মধ্যবর্তী সবচেয়ে সুবিধাজনক স্থানে বালু ভরাট করে উচু জমি তৈরি করে নির্মাণ করা হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। সেখানে অসংখ্য পরিবার নিজেদের ঠিকানা খুঁজে পেয়ে মহাআনন্দিত। কৃষি, দিনমজুরের কাজ কিংবা টুকিটাকি ব্যবসা করে দূর করছেন সংসারের অভাব। কিন্তু ভাঙন কবলিত বেড়ি বাঁধের কাছে অনেকেটা দুর্গম এই গ্রামটিতে নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাশের দুই গ্রামে পরে একটি স্কুল থাকলেও তা ৩ মাইলের বেশি দূরে অবস্থিত। তার ওপর কাঁদামাটির রাস্তা আর সাঁকো পারাপারের পথ হওয়ায় আশ্রয়ণসহ গ্রামের অনেক পরিবারই সেখানে শিশু সন্তানকে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। ফলে অনেক শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়ছে। অনেকে আবার ভর্তিও হয়নি। ফলে প্রাথমিক পর্যায়েই শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক শিশু।

গ্রামের কৃষক আবুল ফকির বলেন, ৭৫টি আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা ছাড়াও আরও প্রায় আড়াইশ পরিবার আমাদের গ্রামে বসবাস করছেন। প্রতি ঘরেই ২/৩টি করে শিশুরা রয়েছে। এই গ্রামে থেকে দুই তিন মাইল দূরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল। দূরত্বের কারণেই এ গ্রামের ছেলে-মেয়েরা স্কুল থেকে ঝড়ে পড়ে। শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থেই একটা স্কুল আমাদের জরুরি হয়ে পড়েছে।

আশ্রয়নের বাসিন্দা বৃদ্ধা নূরবানু বেগম বলেন, আমাদের এখন একটা নিজস্ব ঠিকানা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। এখন একটা স্কুল হলেই শিশুদের লেখাপড়া নিয়ে আমারা নিশ্চিন্ত হতে পারি।

তবে এসব জনগুরুত্বপূর্ন ও দুর্গম এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্কুল নির্মাণের সরকারি নির্দেশনা ইতোমধ্যেই হাতে পেয়েছেন জানিয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অফিসার অশোক কুমার সমাদ্দার এ প্রতিবেদককে বলেন, এলাকাটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় মন্ত্রনালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি সদরের চরকুতুবনগর গ্রামটিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অন্যান্য বাসিন্দা নিয়ে তিন শতাধিক পরিবারের বসবাস। যাদের দুই শতাধিক শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।