বুধবার , ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

প্রান্তিক পর্যায়ে আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে “লামার গ্রীণ ভ্যালী প্ল্যানটেশন”

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩

দেশের সুসম উন্নয়ন করতে হলে শহর -গ্রামসহ সব এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের উন্নয়ন করতে হবে। সেদিক থেকে লামার উপজেলার সদর ইউনিয়ন প্রান্তি পর্যায়ের  আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে সমন্বিত “লামার গ্রীণ ভ্যালী প্ল্যানটেশন”।

রাবার চাষ ও রাবার শিল্প সম্প্রসারণে উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

সরেজমিনে ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়,সমন্বিত “লামার গ্রীণ ভ্যালী প্ল্যানটেশন” যাত্রা শুরু করে ১৯৮১ সালে। বিভিন্ন সময়ে বন্ধুর পথ অতিক্রম করে এখনকার রাবার চাষবাদ ২৫ একর এলাকা জুড়ে।এখানকার জায়গাগুলো উদ্যোক্তার চাচা ও নিজে বৈধভাবে নিয়ে কাজ করছি। রাবার এর গত কয়েক বছর আগেও বাজারমূল্য ভালো ছিল। কিন্তু দেশের বাজারে রাবার মূল্য কমথাকায় অনেক চাষী খুব কষ্ট করে দিনাদিপাত করছে। ভবিষ্যতের আশা নিয়ে। লামায় স্থানীয় বাজারে রাবার প্রতিকেজি ১১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, যা প্রায় উৎপাদন খরচ সমান। সেখানে প্রতিদিন ২০ জনের বেশি স্থানীয় নারী পুরিষ কাজ করছে।মৌসমে আরও বেশি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। তাদের দৈনিক মজুরি পুরুষ শ্রমিক ৭ শত টাকা এবং নারী ৪শত টাকা।

আরও সেখানে রাবারসহ অন্যান্য কৃষি পণ্য গুলো বাজারজাত করতে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেখান হতে পণ্য বের করতে একটি প্রস্তত রাস্তার অভাব, সব মানুষের
অসহযোগিতা, পণ্যের বাজার মূল্য কম প্রভৃতি।

রাবার চাষঃ  বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। রাবার চাষের মাধ্যমে দেশের ক্রমবর্ধনশীল চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। রাবার হতে প্রায় ৪৬ হাজারের বেশি পণ্য উৎপাদিত হয়। রাবার চাষে সম্পৃক্ত হওয়ার পাশাপাশি এসব ফিনিশড প্রোডক্ট উৎপাদন করা যায়। লামা উপজেলার অন্যান্য জায়গায়ও রাবার উৎপাদন হচ্ছে।

রাবার বাগান মালিক, ম্যানাজার, রাবার চাষি, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে রাবার উৎপাদন ২,০০,০০০ টনে উন্নীত করার পরিকল্পনায় বাংলাদেশ রাবার বোর্ড কাজ করছে।

  এছাড়া রাবার বাগান মালিকগণের নিকট হতে যেসব অভিযোগ পাওয়া যায় সেগুলোও তুলে ধরতে হবে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে লীজকৃত জমি অবৈধ দখল হওয়া, বন্য হাতীর আক্রমণে রাবার বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বাগানে আগুন লাগার আশঙ্কা এবং সড়ক ও বাগানে চাঁদাবাজি ইত্যাদি।

রাবারকে কৃষি পণ্য হিসেবে ঘোষণা করলে বিদ্যমান রাবার চাষিরা উপকৃত হবে এবং নতুন উদ্যোক্তারাও রাবার চাষে আগ্রহী হবে।

লামার গ্রীণ ভ্যালী প্ল্যানটেশনে সমন্বিত রাবার উৎপাদন, ডেইরি, মৎস্য সাথে হাঁসমুরগী, কৃষি খামারে কৃষক ও কৃষি জাত পণ্যের মডেল হতে পারে লামার বর্ণিত এ খামারটি।

রবিবার  (২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে জানা যায়, বিভিন্ন কৃষিজ,বনজ,ফলজ বাগান,মৎস্য ও ডেইরী ফার্ম প্রায় ব্যক্তি উদ্যোগে ও অন্যান্য  সহায়তা ও অন্যগুলো ব্যক্তি উদ্যোগে সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তুলা হয়েছে লামা সদর ইউনিয়ন পোয়াং পাড়ার পূর্বদিকে একটু ভিতরে।

কৃজিজাত পণ্য উৎপাদনঃ কৃষির আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বালাই ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ আম উৎপাদন বৃদ্ধি করা,রপ্তানিযোগ্য বিভিন্ন জাতের আম,কাজু বাদাম,কমলা,মালটা,রামবোটাম। লেবু, পেয়ারা,আমড়াসহ বিশুদ্ধ ফল, তরি-তরকারি উৎপাদন হচ্ছে।সেখানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সহায়তা প্রয়োজন । বিশাল এলাকা জুড়ে থাকা অর্গানিক কৃষিজ এটি দুর থেকে দেখতে অনেক সুন্দর ও সহজেই দর্শনার্থী মুগ্ধ করে। এটি দেশে  বিদেশে রপ্তানি করে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

ডেইরী ফার্মঃ কিছু উন্নত জাতের
গরু,ছাগল, হাঁস মুরগি ও দুদ্ধ খামার । সেখানে সবসময় ৬/৭ পরিবারসহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে। তারা পরিবার -পরিজন নিয়ে সেখানে অবস্থান করছে।
এদের করে দেশের মানুষের পুষ্ঠির চাহিদা পুরণ ও অনদিকে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। মোটকথা এটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আবদান রাখছে।

মৎস্য চাষঃ পাহাড়ের প্রাকৃতিক অবয়ককে কাজে লাগিয়ে ২একর এলাকা জুড়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রকল্প সহায়তা নিয়ে মৎস্য খামার করা হচ্ছে। সেখানে মাছ উৎপাদন করে দেয়ের মানুষের আমিষের চাহিদা পুরন করা সম্ভব।  পাশাপাশি স্থানীয় কিছু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।এক সাথে পুকুরের মাঝে হাস -মুরগির পালন হচ্ছে।

প্রচারবিমূখ এখানকার তরুণ উদ্যোক্তা মোঃ সরোয়ার আলম চৌধুরী বলেন, আমরা ভাল কিছু উৎপাদন করছি, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কাজ করছি। আমাদের এজন্য সবাই দোয়া করবেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।