ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের নান্দাইল চৌরাস্তা (বারুইগ্রাম) বাজারে বিজ্ঞ নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ পাওয়ার পরেও প্রতিপক্ষ নির্দেশ না মেনে ৪তলা ভবন নির্মানের কাজ অব্যাহত রেখেছে। মামলা সূত্রে জানাগেছে, গাংগাইল ইউনিয়নের বনুড়া গ্রামের মৃত হাফেজ খোদা নেওয়াজের পুত্র মোঃ মাহাবুব আলম বাচ্চু বারুইগ্রাম চৌরাস্তা বাজারের ব্যবসায়ী মৃত আফছর উদ্দিনের পুত্র ফারুক আহম্মেদ, অলি উল্লাহ অলি, ঘোষপালা গ্রামের আবুল খায়েরের পুত্র আবুল বাসার (বাদশা) ও আবুল খায়েরের নামে বিজ্ঞ নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা নং ২৯৫/২০২৩ অন্য প্রকার দায়ের করেন। মামলায় বেআইনিভাবে বারুইগ্রাম চৌরাস্তা বাজারের প্রবেশের গলি রাস্তা বন্ধ করে রাস্তার উপর কোনরূপ স্থাপনা বা দোকান পাট বা বহুতম ভবন নির্মাণ করতে না পারে বা বাদী সহ জনগনের যাতায়াতের চলাফেরা ও ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিম্ন সৃষ্টি করতে না পারে তন্মর্মে বাদী পক্ষে ও বিবাদীগনের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেন। গত ১৮ অক্টোবর বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি শুনানীর পর বিজ্ঞ বিচারক মো: দিদারুল ইসলাম অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার তফসিল বর্ণিত ভূমিতে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হবে না তৎমর্মে আদালতে কারণ দর্শানোর নিদের্শ প্রদান করেন এবং পরবর্তী নিদের্শ না দেওয়া পর্যন্ত নালিশী ভূমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নিদের্শ প্রদান করেন। বিজ্ঞ আদালক থেকে ১৯ অক্টোবর মামলার আদেশের কপি বিবাদী পক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে বিবাদী ফারুক আহম্মেদ, অলি উল্লাহ অলি, আবুল বাশার ও আবুল খায়ের আদালতের নোটিশ পাওয়ার পরেও দিবা রাত্র নিমার্ণ কাজ চালিয়ে মারাত্মকভাবে আদালতকে অবমাননা করেছেন। বাদী মাহাবুব আলম (বাচ্চু) বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মাঝে মারাত্মক গোলযোগ হবার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার বাদী মাহাবুব আলম (বাচ্চু) জানান, আদালত অবমাননার বিষয়টি তিনি এলাকাবাসী সহ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এবং বিষয়টি তিনি আইনজীবির মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতকে অবহিত করবেন বলে জানান।
বুধবার , ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
নান্দাইল চৌরাস্তা বাজারের গলি বন্ধ করে ৪তলা ভবন নিমার্ণ অব্যাহত
প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৩