মঙ্গলবার , ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগরে সিন্ডিকেটের কবলে দ্রব্যমুল্যের বাজার

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩
যশোরের অভয়নগরে সিন্ডিকেটের কবলে দ্রব্যমুল্যের বাজার। সরকারি পক্ষ থেকে বাজারের দ্রব্যমুল্যের লাগাম টেনে ধরার নানা পদক্ষেপ গ্রহন করলেও কিছুতেই অসাধু মুনাফালোভি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কবল থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না  বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। এমনকি সরকারি ঘোষণাকে থোড়াই কেয়ার করে এসব অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সকল নিত্যপণ‍্য, যে কারনে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে এবং তাদের বোবা কান্নার শেষ হচ্ছেনা। ফলে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের লাগামহীনভাবে ইচ্ছে মতো জিনিসপত্রের দামের কারণে
 ক্রমেই মানুষের নিত্যপণ‍্য জিনিস ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। যে কারনে উপজেলার সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে বিলাপ করা ছাড়া কোন উপায় পাচ্ছেনা। একদিকে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সরকারি আদেশকে যেমন বৃদ্ধাংগুল দেখাচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা লুটে নিচ্ছে কৌশলে।  উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলুর মূল্য এক এক বাজারে এক এক ধরনের, কোথাও ৫০টাকা কেজি আবার কোথাও ৪৫ টাকা কেজি, কোথাও ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা মরিচের কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা, সকালে ২০০ টাকা কেজি বিকালে ২৬০ টাকা কেজি, এমনি ভাবে সিন্ডিকেট করে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা হচ্ছে কোটিপতি আর নিন্মবিত্তের অবস্থা নাজেহাল। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ‍্য এক এক দোকানে এক এক রকমের মুল্য বিক্রি করা হচ্ছে যে কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিৎ অভয়নগরের প্রতিটি বাজার কঠোরভাবে মনিটরিং করা এবং অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা। নওয়াপাড়া বাজারে বাজার করতে আসা আবু জাফর জানান, গত দুইদিন আগে কাঁচা মরিচ কিনেছি ১৫০ টাকা কেজি, এখন সেই মরিচ কিনতে হচ্ছে ২৫০টাকা কেজি আর অন্য জিনিসের দামের তো কথা তো বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিছুদিন আগেও নিত‍্য পণ‍্যের মূল্য এমন লাগামহীন ছিলনা, যা কিনেছি ১০০টাকায় সে জিনিসের মুল্য এখন ৪০০টাকা। নামপরিচয় না প্রকাশের শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের যেমন ভাবে মাল কিনতে হয় তেমন ভাবে বিক্রি করতে হয়। সরকার আলু ৩৬ টাকা মূল্য বেঁধে দিলেও আপনি ৫০ টাকা কেন বিক্রি করছেন?  তার  উত্তরে ব্যবসায়ী জানান, আমার কিছু করার নেই, বড় বড় আড়ৎদারের কাছ থেকে যেমন দামে কিনে আনবো তেমনই তো বিক্রি করবো, এখানে আমার দোষ কোথায়? এমন অভিযোগ অনেক খুচরা বাজারের বিক্রেতাদের থাকলেও বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় যার যেমন সে তেমনভাবে গড়ে তুলেছেন বাজার সিন্ডিকেট। ফলে, সেই কবলে সাধারণ মানুষ  দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জরুরি ভাবে বাজার মনিটরিং সহ নিত্যপণ‍্য জিনিসের মূল্য নির্ধারণ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আবু নওশাদ বলেন, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে, অনিয়ম পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে, নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান অব্যহত আছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।