মনিরামপুরের সুজাতপুর ভায়া ডহরমশিয়াহাটী সড়ক নির্মাণ কাজে নয় ছয়। উপজেলার ১৫নং কুলটিয়া ইউনিয়নের সুজাতপুর বাজুকুলটিয়া ভায়া ডহরমশিয়াহাটী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ২ (দুই) কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে ঠিকাদার আনন্দ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে আমা ইটের খোয়া। এছাড়া যেসব স্থানে প্যালাসাইডিং (পাইলিং) দেয়ার কথা থাকলেও কিছু স্থানে দিচ্ছে কিছু স্থানে দিচ্ছে না, কিছু কিছু স্থানে বালির পরিবর্তে ইটের সুড়কি দেওয়া হচ্ছে। সড়কটি যেভাবে উচু হওয়ার কথা সেভাবে না করে সড়ক নির্মাণ কাজ করে চলেছেন। এসকল অনিয়মের ব্যাপারে এলাকাবাসীর বাধা উপেক্ষা করে কোন অদৃশ্য ক্ষমতার বলে সড়ক নির্মাণ কাজ করেছেন ঠিকাদার এ প্রশ্ন এলাকাবাসীর। এসব অনিয়মের ব্যাপারে ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বিদ্যুৎ কুমার বৈরাগী বলেন গত ১৪ জুলাই সড়কটিতে ঠিকাদার আনন্দ বিশ্বাস আমা ইটের খোয়া দিয়ে নির্মাণ কাজ করতে থাকলে আমি এলাকাবাসিদের নিয়ে বাধা দিলে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক নির্মাণ কাজ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর সুচতুর ঠিকাদার গত ২৪ জুলাই সেই আমা ইটের খোয়া দিয়ে রোলার দিয়ে চেপে দিয়েছে। তিনি আরো বলেন সড়কটি কিছু কিছু স্থানে বালুর পরিবর্তে আমা ইটের গুড়া দিয়েছে। সড়কের দুপার্শে প্যালাসাইডিং (পাইলিং) কিছু কিছু স্থানে দিয়েছে কিছু কিছু স্থানে দেয়নি। সড়কটি যেভাবে উঁচু করার কথা তাও করা হয়নি। উপায়ান্ত না পেয়ে আমরা এলাকাবাসী বিদ্যুৎ বৈরাগী, তন্ময় মন্ডল, মিল্টন মন্ডল, হিরামন বৈরাগী, সমীরণ বিশ্বাস, কিরিতি সরকার, অশোক মন্ডল, হীরা মন্ডল, জয় মন্ডল, রনি মন্ডল, হিরক মন্ডল, বিজয় বৈরাগী, হৃদয় বিশ্বাস, টুটুল সরকার, অপূর্ব চক্রবর্তী, সুজন মন্ডল সড়ক নির্মাণ কাজের অনিয়মের ব্যাপারে গত ৩১শে জুলাই জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেও দীর্ঘ তিনমাস পার হলেও রাস্তার ওই দুর্নীতির বিষয়ে প্রসাশন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। ফলে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে ক্ষোপ প্রকাশ করে জানান, দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ কোন পদক্ষেপ নিবেনা কারণ সকলে টাকায় বিক্রি হয়ে যায়। জরুরি এলাকাবাসীর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে রাস্তা সংস্কারের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রসাশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এবিষয়ে মনিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার জানান, ডিসি স্যারের কাছে অভিযোগ হলেও এবিষয়ে আমি কিছু জানিনা বা আমাদের কাছে কোন আদেশ আসলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এব্যাপারে যশোর জেলা প্রসাশকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ না করায় সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার , ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
অভিযোগের তিন মাসেও নেই কোন পদক্ষেপ
প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৩