খাগড়াছড়ির রামগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ বিহারী নাথ তার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।আজ দুপুরে রামগড় লেকপাড়স্থ গৌধুলী রেস্তোরায় এক সংবাদ সম্মেলন করেন।এসময় ভুক্তভোগী গীতা রাণী ঘোষ এবং রুবী রাণী দেবী উপস্তিত ছিলেন। গত ১৬সেপ্টেম্বর জহর লাল ঘোষ এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন জায়গা রেজিস্ট্রি করতে মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ বিহারী নাথের সহায়তায় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)মানস চন্দ্র দাস তার কাছে ঘুষ দাবি করেন। পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে প্রমোদ বিহারী নাথ এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।তিনি জানান,প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে জহর লাল ঘোষ এবং তার স্ত্রী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।তিনি জানান,জহর লাল ঘোষ একজন লোভী এবং ভূমিদস্যু।সে তার বোন গীতা রাণী ঘোষকে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে চায়।বোন কে বঞ্চিত করে স্ত্রীকে দান করতে ভূমি কার্যালয়ে আবেদন জানায়। তার বোন বাদী হয়ে স্থানীয় হিন্দু সমাজ এবং ভূমি কার্যালয়ে বাদী হয়ে এর বিরুদ্ধে আবেদন জানায়।স্থানীয়ভাবে বৈঠকে বসে জহর লাল কে তার বোনের প্রাপ্য সম্পত্তি ফিরিয়ে দিতে বলা হয়।এতে জহর লাল ক্ষিপ্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে ভূমি কার্যালয়কে জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলনে মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন।ভূমি অফিসের তদন্তে জহর লাল জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পদ দখল চেষ্টা চালিয়েছেন বলে প্রমাণিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, রামগড় ভূমি অফিসের সাবেক সার্ভেয়ার জাহাঙ্গীর আলমের সহায়তায় দলিল না থাকা সত্ত্বেও নামজারি মামলার সুপারিশ করা হয়।তিনি জাহাঙ্গীর আলমের শাস্তি দাবি করেন।জহর লাল তার পৈত্রিক রেশন কার্ড তার বোন গীতা রাণীকে না দিয়ে স্ত্রী এবং সন্তানের নামে করে ফেলেন।রামগড় পৌরসভায় এক পারিবারিক বৈঠকে গীতা রাণীকে প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে বললেও জহর লাল এখনো তা ভোগ করছেন। এসময় সংবাদ সম্মেলনে জহর লালের বোন গীতা রাণী ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার , ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে রামগড়ে মুক্তিযোদ্ধার সংবাদ সম্মেলন
প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩