মঙ্গলবার , ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

এক জোড়া বাঁশের সাঁকোই গ্রামবাসীর ভরসা

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

মরা খালের ওপর গ্রামবাসীর নির্মিত ১জোড়া ৬০ফুটের বাঁশের সাঁকোর ওপর চলাচল করে গ্রামের হাজারো বাসিন্দা।খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের আবুল বলির বাড়ির পাশের এই তৈছালা খালের ওপর বাঁশের সাঁকোই গ্রামবাসীর একমাত্র ভরসা।একটি সেতুর জন্য বছরের পর বছর আশায় বুক বেঁধে থাকলেও তাদের দুঃখ-দুর্দশার দিকে আজ পর্যন্ত কেউ ফিরে তাকায়নি। বর্ষার মৌসুম এলেই দুর্ভোগ বেড়ে যায় সাঁকোতে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসুস্থ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ঝড়বৃষ্টিতে বাঁশের সাঁকোতে পারাপার বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। সরেজমিনে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক তৈচালাপাড়া সোমাচন্দ্র স্কুলের সামনে যাতায়াতের পথে এ খালটি অবস্থান।তৈছালাপাড়া,বতপাড়া,সোনাইআগা এলাকার সংযোগস্থল এই গ্রাম।অন্তত গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস।দেশ স্বাধীনের পর থেকেই এ সেতুটি নির্মাণের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অনেক আবেদন করা হয়েছে।নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর কেউ খবর রাখেনা।ফলে এ পথে যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান,স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় সব জনপ্রতিনিধির কাছে একটি সেতুর জন্য বারবার আবেদন করা হয়েছে।প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেনি।তারা জানান,সামাজিক কবরস্থান এবং মসজিদ মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এলাকার কোন মানুষ মারা গেলে লাশ দাফনের জন্য মৃত ব্যক্তি নিয়ে সেতু দিয়ে পারপার হতে খুব বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়।তাছাড়াও কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও গবাদিপশুর পারাপারের সময় তাদের চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নাসির হোসাইন জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা খাল পার হয়ে স্কুল,মাদ্রাসা,কলেজে যাতায়াত করতে হয়।গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে কোনো রকমে যাতায়াত ব্যবস্থা চালু রাখা হয়। এই সাঁকো দিয়ে চলছে এখন পারাপার, এতে মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা।খালের ওপর ৬০-৭০ফুটের একটি সেতু নির্মাণ করে দিলে এলাকার মানুষ এই কঠিন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে। রামগড় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র শামীম মাহমুদ জানান,এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা তিনি শুনেছেন।কিন্তু খালের জায়গা নিয়ে জটিলতা থাকায় খালের ওপর সেতুর কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা।জটিলতা নিরসন হলেই বরাদ্দের জন্য আবেদন করবেন। রামগড় পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম কামাল বলেন,বিষয়টি তিনি জানতেন না।তার কাছে আবেদন করলে বিষয়টি তিনি দেখবেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।