সোমবার , ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

রংপুরে সেচ দিয়ে আমন রোপণের চেষ্টা

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩
জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে।
সেচ দিয়ে রোপণ করা হচ্ছে আমন ধান গতকাল ২৩ জুলাই রংপুর শহরতলির নাজিরদিগর এলাকায় সেচ দিয়ে রোপণ করা হচ্ছে আমন ধান।
শ্রাবণ মাসেও রংপুরে তেমন বৃষ্টি হচ্ছে না। বৃষ্টিনির্ভর আমন খেতের জমি তৈরি করতে পারছেন না কৃষকেরা। বাধ্য হয়ে সেচযন্ত্রের মাধ্যমে জমিতে সেচ দিতে হচ্ছে।
এতে খরচ বাড়ছে। আমন মৌসুমে কৃষকেরা বিপাকে পড়ছেন।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসে গতকাল রোববার পর্যন্ত রংপুরে বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৬৪ মিলিমিটার। সেই সঙ্গে টানা দুই সপ্তাহ ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ রংপুর কার্যালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর রংপুর জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। ১৫ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে আমন চারা রোপণ। কিন্তু বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৫ শতাংশ কৃষকেরা চারা রোপণ করতে পেরেছেন। কিন্তু পানির অভাবে তা সম্ভব হয়নি। কৃষকেরা বাধ্য হয়ে সেচযন্ত্রের মাধ্যমে জমি তৈরি করে আমন চারা রোপণ করছেন। এতে তাঁদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে।
গতকাল সকালে গিয়ে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের শহরতলির গ্রামজড়ে কৃষকদের রোপণকৃত জমিতে পানি নেই। সেচযন্ত্রের মাধ্যমে জমি তৈরি করছেন কৃষকেরা। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরদিঘর এলাকায় বিস্তীর্ণ খেতজুড়ে সেচযন্ত্র দিয়ে পানি দেওয়া হচ্ছে। এরপর জমি কাদা করে সেখানে আমনচারা রোপণ করছেন কৃষকেরা।
এই এলাকার কৃষক তবারক মিয়া তাঁর প্রায় পাঁচ একর জমিতে সেচ দিয়ে পানি দিচ্ছেন। সেই জমি প্রস্তুত করে সেখানে আমনচারা রোপণ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি বলেন, ‘আষাঢ় গেল, শ্রাবণ মাসের এক সপ্তাহও অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু রংপুরে বৃষ্টি নেই। তাই শ্যালো যন্ত্র দিয়া পানি দিতোছি। এই পানিও কেনা লাগতোছে। এতে করি ধান উৎপাদনে খরচ বেশি পড়বে।’
একই এলাকার কৃষক রইচ মিয়া প্রায় ১০ একর জমিতে সেচযন্ত্রের মাধ্যমে পানি কিনে চারা রোপণ শুরু করেছেন। তিনি জানান, এক একর জমিতে প্রতি ঘণ্টায় পানি কিনতে খরচ পড়ছে ৮০০ টাকা। চারা রোপণের উপযুক্ত খেত তৈরি করতে পানি দিতে হয় কমপক্ষে তিন ঘণ্টা।
একই এলাকার আবদুল ওয়াহাব নামের আরও একজন কৃষক প্রায় আট একর জমিতে সেচ দিয়ে তৈরি করছেন আমন খেত। সেই থেকে চারা রোপণের প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, মাঝেমধ্যে আকাশে মেঘ করলেও বৃষ্টি হয় না। তাই সেচযন্ত্রের মাধ্যমে পানি দিয়ে জমি তৈরি করে আমন চারা রোপণ করতে হচ্ছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।