কে এই নাগেশ্বরী হাসপাতালের ডাক্তার সাহেব আলী। কোন খুঁটির জোরে কর্তব্যরত ডিউটি ঠিক মতো পালন না করে রমরমা ভাবে কাঁচা টাকায় আশায় নাগেশ্বরী বিসমিল্লাহ্ ডিজিটাল ডায়গনিস্টিক সেন্টারে হাসপাতালে বড় কর্তাকে ম্যানেজ করে দিন-রাত রোগী দেখছেন। ভুক্তভোগী মহল জানান ডাক্তার সাহেব আলী নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার পঃ পঃ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ম্যানেজ করে কাউকে কোন প্রকার তোক্কা না করে ক্লিনিকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। একটি নির্ভর সূত্রে জানা গেছে নাগেশ্বরী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে তাকে সরকারি একটি গাড়ি দেওয়া হয় নিজস্ব হিসেবে ব্যবহার করার জন্য, কিন্তু তা না করে নামমাত্র ব্যবহার করে ব্যবসায় চালিত করছে বলে হাসপাতালে অনেকে কানা-ঘোসা করে। কিন্তু তিনি সরকারের আইনকে তার নিজ পকেটে রেখে তার সরকারি ব্যবহারিক গাড়িটি দিয়ে ভাড়া খাটাচ্ছে বলে গোট উপজেলা ছিঃ ছিঃ রফ বিরাজ করছে। অপর দিকে প্রতিমাসে অতিরিক্ত তেল খরচ দেখিয়ে এ মহান সরকারের চোখ কে ফাঁকি দিয়ে ভূয়া ভাউচারে টাকা উত্তোলন করে আসছে। অনিয়ম, অবহেলায় চলছে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ডাক্তার আছে ক্লিনিকে ঔষুধ আছে হাসপাতালে কোন অসহায় রোগী হাসপাতালে গেলে ডাক্তার নাই ঔষুধ নাই সেবা নাই শুধু নাই নাই শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায় ডাক্তার এমবিবিএস সাহেব আলী একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে তার সরকারী কর্তব্য পালন না করে ইউনিয়ন ভিত্তিক দালাল নিয়োগ দিয়ে ফ্রি স্টাইলে ক্লিনিকে বসে হাসপাতালের অসহায় রোগীদেরকে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন টেষ্ট ও হয়রানির স্বীকার করে প্রতি মাসে অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এর একটি ভাগ হাসপাতাল আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দিয়ে থাকেন বলে জানা গেছে। হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন যেভাবে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিচালনা করছে এতে এক দিকে চিকিৎসার নামে অসহায় রোগীরা হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। অপর দিকে স্বাস্থ্য সেবা ভেঙ্গে পড়ছে।
নাগেশ্বরী হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার নিয়মিত না থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গর্ভবতী মায়েরাসহ বিভিন্ন অসহায় রোগীরা। হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন বেশির ভাগ সময় তিনি প্রাইভেট ক্লিনিক ও বিভিন্ন ফার্মেসিতে রোগী দেখেন।