নাগেশ্বরীর পৌর মেয়র মোহাম্মদ হোসেন ফাকু দায়িত্ব পালনের তিনি পৌর এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন। রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, সড়কে বাতি স্থাপন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ অনেক কাজ হয়েছে।
পৌরবাসী বলেন, ‘গত ১০ বছরে যা হয়নি তা প্রায় ০৩ (তিন) বছরে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের যে রূপরেখা দিয়েছেন সে লক্ষ্য কাজ করছে পৌর মেয়র। দলমত নির্বিশেষে সবাই এখন উন্নয়নের সুফল ভোগ করছেন। কেউ বঞ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই। পৌরবাসী আরও বলেন, ‘নির্বাচনের সময় যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বর্তমান পৌর মেয়র মোহাম্মদ হোসেন ফাকু তার প্রায় শতভাগ পূরণ করে আসছে।
এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে এলাকাকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত করার চেষ্টা করছি। মাদক বিক্রেতা এবং ইভটিজারদের প্রতিহত করতে জনসচেতনতা বাড়াতে সভা-সমাবেশ করছি। পৌর এলাকায় এখন সন্ত্রাস নেই বললেই চলে।’
এ কারণে আগামীতে পৌরবাসী আমাকেই আবারও নির্বাচিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।’ পৌরসভায় ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘চেষ্টা করছি শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে পৌরসভাকে পরিচালিত করতে। অনিয়মের অভিযোগ পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
’ শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে পৌর মেয়র মোহাম্মদ হোসেন ফাকু বলেন, ‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছি। কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত এবং গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছি। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার অন্তর্গত “ক” শ্রেণির একটি পৌরসভা। এই পৌরসভঅ উত্তর ধরলার একমাত্র পৌরসভা। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ১১ হাজার ৯৭৪ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বিতীয় বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে উন্নয়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে পালটে দিচ্ছে নাগেশ্বরী পৌরসভার চিত্র। বৃদ্ধি পেয়েছে নাগরিক সুবিধা ফলে কিছুদিনের মধ্যে আর এই সুবিধা নিয়ে সু-দক্ষ মেয়র আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু কাজ করে যাচ্ছে। ২০১১ সালে পরিসংখ্যান অনুযায়ী নাগেশ্বরী পৌরসভায় ২৭,১১৮ টি পরিবারের মধ্যে সর্বমোট ৯২,৩২৮ (পুরুষ-৪৩,২২৪ মহিলা-৪৯,১০৪) নাগরিক বসবাস করেন। নাগরিক বসবাস করার ফলে আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু পৌরসভাটি “ক” শ্রেণিতে উন্নতি করেন। মর্তমানে মেয়রের দায়িত্ব নিয়ে উন্নয়নের ধারা আরও ত্বরান্বিত করতে পৌরবাসীর সার্বিক সহায়তা চেয়েছেন তিনি। নাগেশ্বরী পৌরসভার আয়তন ৪২ বর্গকিলোমিটার হওয়ায় এত অল্প সময়ে রাস্তাঘাট,কালভার্ট,ব্রিজ,ড্রেন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, গ্রির্জা, হাট-বাজার সংস্কার ও পুকুর নির্মান সহ ব্যাপক উন্নতি করছে এই সাধা মনের মানুষটি মেয়র আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু। পৌরবাসীর নাগরিকদের দীর্ঘ দিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাড়া-মহল্লার অলিগলি থেকে শুরু করে বেশ কিছু সড়কে লেগেছে তার উন্নয়নের ছোঁয়া। আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তর করতে যা যা করা দরকার সবই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পৌরবাসী। এ ছাড়া সরকারীভাবে বরাদ্দ পেলে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে জানা নাগেশ্বরী পৌরবাসী। জানা যায় কুড়িগ্রাম জেলা নাগেশ্বরী উপজেলার ৯ টি ওয়ার্ড এবং ৪৪টি মহল্লা নিয়ে ৮ জুলাই ২০০১ সালে নাগেশ্বরী পৌরসভাটি গঠিত হয়। প্রথমবারে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিল আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু। এরেই ধারাবহিকগতার উন্নয়ন মূলক কাজে তার কোন আন্তরিককতার কমতি ছিলো না। পরবর্বীতে জাপা নেতা আব্দুল রহমান মিয়া দুই বার মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় নাগেশ্বরী পৌরসভাটি কোণঠাসা হয়ে পরে। পরবর্বীতে আবারও আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু শক্ত হাতে দমন করে আসছে পৌরসভার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডগুলো। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী পৌরসভার এলাকা ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন এত অল্প সময়ে মেয়রের এতসব উন্নয়নের জোয়ার লেগেই আছে নাগেশ্বরী পৌরসভার। পৌরবাসী দুলাল হোসেন জানান পৌরসভায় আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু নির্বাচিত হওয়ায় ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছেন এতে পৌরনাগরিকদের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। পৌরসভার বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন রাস্তাঘাট,ড্রেন,কালভার্ট সংস্কার ও নির্মাণ, সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সড়কবাতি স্থাপন,বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে আনা,পৌরশহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে টারসিয়ারি ড্রেন, সেকেন্ডারি আরসিসি ড্রেন, বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার সংস্কার উন্নয়ন সহ বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে। নাগেশ্বরী পৌরসভার প্রশাসিক কার্যক্রম কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৫নং নির্বাচনী এলাকার কুড়িগ্রাম-১ আসনের অংশ। এ পৌরসভা উত্তরে রায়গঞ্জ ও রামখানা ইউনিয়ন, দক্ষিণে হাসনাবাদ ও ভিতরবন্দ ইউনিয়ন, পূর্বে বেরুবাড়ী,কচাকাটা, ও বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন, এবং পশ্চিমে নেওয়াশী ইউনিয়ন অবস্থিত। পৌরবাসী বলেন আধুনিক পৌরসভার জনক মোহাম্মদ হোসেন ফাকু বলেন, “নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করে থাকি। সর্বোপরি পৌরসভার মানন্নোয়নে আমার এবং কাউন্সিলরদের আন্তরিকতার কমতি নেই! রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি আমরা” তিনি আরও বলেন, “আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই। শুধু মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্যই আমার ছুটে চলা। জনগণই আমার শক্তি।