শনিবার , ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৪ঠা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

যশোরে মাদ্রাসা শিক্ষককের বিরুদ্ধে ভূয়া কাজী পরিচয়ে অভিনব প্রতারণার অভিযোগ 

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ২৪ মে, ২০২৩
যশোরের সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের আবু বক্কার মোল্লার ছেলে মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের অভিনব প্রতারণার শিকার এলাকাবাসী। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষকতার আড়ালে বিভিন্ন বাল্যবিয়ে পড়ানো ভূয়া কাবিন নামা তৈরিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করেন। আরও জানা গেছে, ঐ ভূয়া নামধারী প্রতারক বিভিন্ন সময় সরকারি  বিভিন্ন রেজিস্ট্রার কাজীর নাম ভাঙিয়ে বিয়ে পড়িয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেন। তার প্রতারণার কারণে বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সরকারি রেজিস্ট্রার কাজী শাহ আলম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দপ্তরে ঐ প্রতারক শিক্ষককের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করলেও প্রভাবশালীদের ইন্ধনে ঐ ভন্ড প্রতারক পার পেয়ে গেছে। এমনকি ঐ সরকারি কাজীর স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া কাবিন নামা বানিয়ে ব্যপক অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক ভূয়া স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে কাবিননামার কপি এই প্রতিবেদকের হাতে আসে দেখা যায় রেজিস্ট্রার কাজী শাহ আলমের স্বাক্ষর জাল করা এবং কাজীর স্বাক্ষরের সাথে কাবিননামার স্বাক্ষরের কোন মিল নেই। উক্ত কাবিন নং-৩৪/২৩ তারিখ ১৫/০২/২০২৩ ইং। ফলে ঐ প্রতারকের খপ্পরে পড়ে অনেকেই বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রতারক মাদ্রাসা শিক্ষকের অপকর্মের শেষ নেই, ঐ প্রতারক শিক্ষককতার আড়ালে বিভিন্ন গ্রামে নিজেকে কাজী পরিচয় দিয়ে একাধিক বাল্যবিয়ে পড়ানোর সাথে জড়িত রয়েছে। এবিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মুঠোফোনে বলেন, আমি কাজী শাহ আলমের সহকারী হিসাবে কাজ করি যা হয়েছে কাজির সাথে মিমাংসা করে ফেলেছি, আপনারা সাংবাদিকরা আমার কি করবেন? আপনি প্রশ্ন করার কে?আপনার কি লাইসেন্স আছে? যা পারেন তাই করেন, আমিও দেখতে চাই আপনারা আমার কি করতে পারেন? এই বলে তিনি ফোন কেটে দিয়ে বন্ধ করে দেন।
এবিষয়ে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সরকারি রেজিস্ট্রার কাজী শাহ আলম বলেন, ঐ ভন্ড মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক  আমার কোন সহকারী নয়, সে নিজে বই তৈরি করে আমাকে ক্ষতি করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের রেজিস্ট্রারের নামীয় জাল সীল ব্যবহার করে বিয়ে ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন করছে যা আইন,বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রনীত বাংলাদেশ গেজেট এর ২২(৩) ও ২৫ ধারার পরিপন্থী যে কারণে আমি বিভিন্ন দপ্তরে ঐ ভূয়া প্রতারকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছি।
জগনাথপুর শিবানন্দপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, আমার মাদ্রাসায় আব্দুর রাজ্জাক নামে একজন ক্বারী শিক্ষক আছে, তিনি শিক্ষককতার আড়ালে কি করে না করে আমার এটা জানা নেই, তা ছাড়া আমার কাছে যদি কেউ অভিযোগ দেয় সেটা আমি দেখবো। তিনি আরও জানান, আমার বাড়ি ৩০ কিঃ মিঃ দুরে আর ঐ শিক্ষক স্থানীয় যে কারনে অনেক কিছু জেনেও আমার কিছু বলার থাকেনা, তার হয়তো অন্যকোনও শক্তি আছে এখন আপনারা যদি কোনও কিছু করতে পারেন তা শুধু আপনাদের বিষয়।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।