শনিবার , ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৪ঠা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

গোপালপুরে বৈরান নদী ও ঝিনাই নদীতে কচুরিপানা ফুলে চোখ জোড়ানো অপরূপ দৃশ্য 

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ৮ মে, ২০২৩
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দক্ষিণ পাথালিয়া ঝিনাই ও গোপালপুরের বৈরান নদী  সহ বিভিন্ন বিল-ঝিল ও নদী-নালায় ফুটেছে কচুরিপানা ফুল। ফুলের নির্মল ও স্নিগ্ধকর সৌন্দর্য প্রকৃতিতে যোগ করেছে নান্দনিকতা।
তাই প্রকৃতি মেতেছে এখন নতুন রূপে। চোখ জুড়ানো অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ হচ্ছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ।
প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া কচুরিপানা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে হারিয়ে যায় মন। যেন প্রকৃতি সেজেছে এক অপরূপ সৌন্দর্যে।
পানির উপর বিছানো সারি সারি সবুজ পাতা আর ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায়। দূর থেকে মনে হয় কেউ যেন সবুজ চাঁদরে ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে।
সৌন্দর্যের পাপড়ি মেলে ধরা কচুরি ফুলের এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই তুলছেন ছবি। ছবির ক্যানভাসে একই ফ্রেমে আবদ্ধ হচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা। খাল বিল ও জলাশয়ে ফুল ফুটে সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা খাল-বিল কিংবা নদী-নালা থেকে শিশির ভেজা কচুরিপানার ফুল তুলে খেলা করছে। গ্রামের মেয়েরা কেউবা খোঁপায় বাঁধছে এ ফুল।
চোখ জুড়ানো সবুজ পাতার মাঝে হালকা গোলাপী রঙয়ের কচুরিপানা ফুলের উঁকি হৃদয় জুড়িয়ে দেয়। ফোটা ফুলের সঙ্গে কুঁড়িগুলো মাথা তুলেছে নতুন করে ফোটার আশায়। সবুজ পাতা আর হালকা গোলাপী ফুলের মিলন মেলায় মনের আনন্দে নির্ভয়ে বিচরণ করছে পানকৌড়ি আর ডাহুক। ফুটন্ত ফুলের মাথায় খেলা করছে প্রজাপতি আর ভ্রমরের দল।
দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামের এস কে শামীম হোসেন বলেন অনেক প্রকৃতিকে প্রেমী তাদের মোবাইলে ও ক্যামেরায় ছবি ধারণ করে থাকে। এবং অনেক দর্শনার্থী এসে প্রকৃতির ছবি তুলছে। যাতে তাকিয়ে থাকলে চোখ জুড়িয়ে যায়।
জানা যায়, কচুরিপানা এক প্রকার ভাসমান জলজ উদ্ভিদ। বাংলাদেশের সকলের কাছে সুপরিচিত। বর্ষাকালে অত‍্যধিক পরিমাণে জন্মায় ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাওর, পুকুর-জলাশয় ভরে তুলে। এটি অবাধ ভাসমান গুল্ম ও নিচে থেকে একথোকা লম্বা গুচ্ছমূল, ওপরে খর্বিত কাণ্ডে একথোকা পাতা।
পাতার বোঁটা খাটো পেটমোটা ও স্পঞ্জি। পাতাবেষ্ঠিত মঞ্জুরি ১৫-২০ সে.মি লম্বা ও দণ্ডে থাকে ১০-১২ সে.মি লম্বা দৃষ্টিনন্দন ফুল। বাংলাদেশে কচুরিপানা একটি আগাছা। জন্মায় বদ্ধজলাশয়ে, খাল-বিল, ডোবা -নালাসহ সর্বত্র। বর্ষাকালে এ পানা দ্রুতই বংশ বৃদ্ধি করে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।