অতিসত্ত্বর রামগড় স্থল বন্দরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু হবে।সীমান্ত জটিলতায় স্থল বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণে বিএসএফ থেকে যে বাধা প্রদান করা হয়েছিলো সেটি এখন আর নেয়।তিনি আরো জানান,ভারত আমাদের প্রতিবেশী বন্ধু দেশ। সব সময় আমাদের পাশে থাকে।রামগড় স্থল বন্দর চালু হলে বিজিবি সহযোগিতা দিতে সর্বদা প্রস্তুুত।”রামগড় স্থল বন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন।বিজিবির বিভিন্ন ইউনিটের অপারেশনাল, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শনের অংশ হিসাবে তিনি শনিবার দুপুরে রামগড় ব্যাটালিয়ন সদর,বিজিবি স্মৃতিস্তম্ভ,রামগড় বিশেষ ক্যাম্প ও মহামুনি বিওপি পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি রামগড় জোন সদরে সালাম গ্রহণ এবং বৃক্ষরোপণ করেন।
শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে আভিযানিক কার্যক্রম পরিদর্শনের পাশাপাশি সৈনিকদের সাথে কুশল বিনিময় এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। এ ছাড়াও পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষে রামগড়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতুর নিকট প্রতিপক্ষ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের উদয় সেক্টরের ডিআইজি শ্রী শেখর গুপ্তা এবং অন্যান্য অফিসারবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিম করেন।
এসময় বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ), চট্টগ্রাম রিজিয়নে ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার, গুইমারা সেক্টর কমান্ডার, সদর দপ্তর বিজিবি’র পরিচালক (পরিকল্পনা), চট্টগ্রাম রিজিয়নের পরিচালক (অপারেশন) এবং রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)র অধিনায়কসহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।