শনিবার , ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৪ঠা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগরে হতদরিদ্রের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরের  চালের কার্ড বিতরণে দুই ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
যশোরের অভয়নগর উপজেলার ২ নং সুন্দলী ইউনিয়নে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুদা হবে নিরুদ্দেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে, সুলভ মুল্য খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর ১৫ টাকা কেজি দরের ১২১০ টি কার্ড বিতরণ করতে গিয়ে, ২জন ডিলার কর্তৃক দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করার ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণে ২০২৩ সালের নতুন ১২১০ টা কার্ড বিতরণ করা হয়। যে কার্ড ইসুকরার জন্য কার্ড প্রতি ৩০ টাকা করে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে আদায় করা হয়। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে ওই ইউনিয়ন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস কর্তৃক ২জন ডিলার নিয়োগ করা তারা হলেন, লিটন বিশ্বাস ও নির্মল মন্ডল। ওই ইউনিয়নে মোট হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১৫টাকা দরের চাল বিতরণের জন্য উপজেলা কর্তৃক ১২১০ টি চালের কার্ড ইসু করা হয়। যে কার্ড ২০২২ সাল পযন্ত চাল বিতরণ করা হয়। ২০২৩ সালে সেই পুরাতন কার্ড বাতিল করে নতুন কার্ড দেওয়া হয়। নতুন কার্ড ইসু করতে ওই ডিলার ২জন কার্ড প্রতি ৩০ টাকা করে হতদরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে আদায় করেন। সূত্রে আরো জানা গেছে ২জন ডিলারের ১২১০ টি কার্ডের একজন ডিলার ৬০৫ টি কার্ডের চাল বিতরণ করে। ওই ডিলার ২ জন যোগসাজশে১২১০+৩০ মোট ৩৬,৩০০ টাকা আত্মসাৎ করে। ওই টাকার কিছু অংশ ফুড অফিসারের পকেটে চলে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী পরিবারদের সব টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে ফুড অফিসার টাকা ফিরিয়ে দিলেও আজ পযন্ত গরীব অসহায় দরিদ্র মানুষদের কোনও টাকা ফেরত দেয়নি ওই দুর্নীতিবাজ ২জন ডিলার। ফলে বিষয়টি নিয়ে হতদরিদ্র পরিবার ও এলাকার সচেতন মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোপ বিরাজ করছে। একাধিক ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন তাদের দরিদ্রতার সুযোগে ওই ডিলার দুইজন আমাদের টাকা মেরে খেয়েছে, আমাদের সব টাকা ফেরত চাই। এবিষয়ে ২নং সুন্দলী ইউনিয়নের চাল বিতরণকারী ডিলার নির্মল মন্ডল কার্ড প্রতি ৩০টাকা গ্রহন করার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা কার্ডে নাম ঠিকানা লিখে দিয়েছি তাই ৩০ টাকা করে নিয়েছি তার জন্য সমস্যা হওয়ার তো কথা না। এবিষয়ে সন্দলী ইউনিয়নের আর এক ডিলার লিটন বিশ্বাস বলেন, আমরা ওই সময় ৩০ টাকা করে নিয়েছিলাম লোকজনকে দিয়ে কাজ করানো হয়েছিলো তাদের কিছু টাকা দিয়েছি এছাড়া আর কিছু বলতে পারবোনা। এবিষয়ে সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিকাশ কপিলের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এব্যাপারে  অভয়নগর উপজেলা ফুড অফিসার গোপাল চন্দ্র বলেন, ডিলার কর্তৃক কার্ড বাবদ টাকা নেওয়ার কোন আইন নেই, আর টাকা গ্রহনের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই, কোনও ডিলার যদি কার্ডের টাকা নিয়ে থাকে সে টাকা ফেরত দিতে হবে বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিব।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।