শুক্রবার , ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগরে পবিত্র রমজানের অজুহাতে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কবলে সাধারণ মানুষ, দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩
সম্প্রতি পবিত্র রমজানের অজুহাতে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কবলে অভয়নগরের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। ফলে দ্রব্যমূল্য আশংকা জনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার গণসচেতনার সৃষ্টি ও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতি কঠোর বার্তা দিলেও অভয়নগরের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দ্রব্য জিনিস পত্রের দাম হুহু করে বাড়িয়ে চলেছে। যে কারনে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে। ফলে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের সকল প্রকার জিনিসপত্র ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে শিল্প শহর নওয়াপাড়া সহ অভয়নগরের গ্রাম গনজের সকল হাট-বাজারে দ্রব্যমূল্যে ধাম ধাম করে বেড়ে গেছে। উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে পরিদর্শন করে দ্রব্যমূল্য দাম জানাগেছে, ৷ বেগুন ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, আলু ২৫ টাকা, রসূন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ওই একই পণ্য ১ দিন ব্যবধানে কেজি প্রতি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বেশি দরে বিক্রি করছে সবজি বিক্রেতারা। অন্যদিকে মাছ মাংসের কথা তো বলার অপেক্ষা রাখেনা। গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি ও বয়লার মুরগীর মূল্য আকাশ ছোয়া হু হু করে বেড়ে ২৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একদিনের ব্যবধানে রমজান আসার সাথে সাথে  দ্রব্যমূল্যর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতা সাধারণের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ও ঘটেছে।নওয়াপাড়া গ্ৰামের সিদ্দিকুর রহমান ক্ষোভের সাথে জানান, চায়না মশার কয়েল কিনেছি ৫৫ টাকা দিয়ে আজ এসে সেই কয়েল ১১০ টাকা এরকম হলে আমরা কি ভাবে বেঁচে থাকবো। তিনি আরো জানান,  সকালে রসূন কিনেছি ৭০ টাকা কেজি দরে সেই একই রসূন ১ ঘন্টার ব্যবধানে বিক্রি করা হচ্ছে ৯০/১০০ টাকা কেজি দরে। শংকরপাশা গ্রামের আব্দুল মকলেছুর রহমান  জানান বিভিন্ন কাঁচা ও মুদি মালামাল কিনতে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় রমজানের শুরুতেই দ্রব্যমূল্যে বৃদ্ধি করেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এ সকল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি। নওয়াপাড়া বাজারের মুদি দোকানি বলেন, আমরা যেমন পায়কারি মালামাল কিনে আনি তেমনই ভাবে বিক্রি করতে হয় তার দোকানে প্রতিটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে বলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে যে, প্রতিটি পণ্যের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে বাজারে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ও পরিলক্ষিত হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রতিদিন বাজার মনিটরিং চলমান আছে এবং  ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যহত আছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা যদি সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।