লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড এ মার্মা নারী ধর্ষণের ঘটনা ও মামলার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৭টায় গজালিয়া জীপ স্টেশন সংলগ্ন লামা সাংবাদিক ইউনিটি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযুক্ত কায়সারের স্ত্রী হুছনে আরা বেগম লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক মার্মা নারী কথিত ধর্ষনের অভিযোগে নিউজ প্রকাশিত হয়। প্রকৃত ঘটনা হল অভিযুক্ত কাউছার এর সাথে কথিত ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজনের সাথে পোল্টি ফার্ম নিয়ে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছে। টাকা- পয়সা লেনদেনও রয়েছে।এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার স্বামী কাউছারের বিরুদ্ধে একটি সাজানো ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যা মামলা করেন। এলাকার শান্ত পরিবেশকে অস্থিতিশীল ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি মহল।
মূল ঘটনা হল আমার স্বামী কাউছার মিয়া জুমার দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় মসজিদে যাওয়ার সময় ভিকটিমের আত্মীয়- স্বজন পরিকল্পিতভাবে একটি ঘটনা সৃষ্টি করে ব্যাপক মারধর করে। সে অসুস্থ হলে আমরা চিকিৎসা করছি। আমার স্বামীর কাছে থাকা টার্চ মোবাইল, নগদ টাকা ও ১০০ টাকার ৩টি খালি ষ্ট্যাম্পে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেন। তাই এ ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে এ রকম ঘটনা করছে তারা।এলাকাতে ঐ লোক গুলোর কি রকম স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেকের জানা।
এক্ষেত্রে আমার স্বামী কাউছার মিয়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার আগে কথিত ধর্ষনের স্বীকার হয়েছে বলে একটি মিথ্যা মামলা করেন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।