অভয়নগরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে ম্যানেজিং কমিটির রাজনৈতিক প্রভাব, ক্ষমতার দাপট, স্থানীয় জোর প্রয়োগ সহ নানাধিক চাপে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা। স্কুলকে হাতিয়ার করে প্রকাশ্যে ফায়দা লুটছে এ সব স্কুলের সভাপতিরা। সন্মান বাঁচাতে অন্যায় কাজে সহযোগিতা করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা যা অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে দুর্ণীতি ও নানাবিধ অনিয়ম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জঘন্য হলেও তা এখন ওপেন সিক্রেট। কার্যকরী কোন পদক্ষেপ না নিয়ে শিক্ষা প্রশাসন নিরব ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে পাওয়া গেছে এমন বিভিন্ন অভিযোগ। উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব ও রাজনৈতিক আস্থাশীল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদ পাওয়ার কারণে একচ্ছত্র প্রভাবে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দ্বারা গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অপরাধ। এর মধ্যে অভয়নগরে বিভিন্ন স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ চলমান থাকলেও শিক্ষা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন প্রকার তদন্ত বা কার্যকরী কোন পদক্ষেপ উপজেলাবাসীর নজরে আসেনি। যে কারণে একের পর এক স্কুলগুলোতে ঘটে চলেছে অপরাধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্যর যে অভিযোগ আছে তার সাথে জড়িত রাজনৈতিক বড় নেতারা এবং স্কুলের সভাপতি ঐ নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে আমরা শিক্ষকরা কিছুতেই জড়িত নই। চাকরি করার কারণে আমরা মুখ খুলতে পারিনা। উল্লেখ্য অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে কোটি কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে মানববন্ধনসহ নানা ধরনের অনিয়মের সংবাদ জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও অজানা কারণে শিক্ষা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন প্রকার পদক্ষেপ দেখা যায়নি। যে কারনে ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রশ্ন। উপজেলা ব্যাপি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষের মাঝে নিয়োগ বাণিজ্যের নানাধরণের অভিযোগ চলমান থাকলেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কিছুই জানেননা বলে এড়িয়ে যান।
এবিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এএম গোলাম আজম বলেন, অভয়নগর উপজেলায় শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের কোন সংবাদ আমার নজরে আসেনি।