বৃহস্পতিবার , ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

‘লাথি মেরে ফেলে দিব’ চেয়ারম্যানকে ইউএনও

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে অশালীন আচরণ করাসহ হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগকারীর দাবি, ইউএনও ইমরান হোসেন তাকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া ও তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
এ বিষয়ে একাধিকবার ইউএনও ইমরান হোসেনের নম্বরে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। সবশেষ হোয়াটস অ্যাপে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মেসেজ দিয়েও সাড়া মেলেনি।
চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের অভিযোগ, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ চন্দ্রগঞ্জে মাছ বাজারের বহুতল শেডের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইউএনও ইমরান হোসেন ওই কাজ পরিদর্শনে যান। তখন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বাজারের গণমিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন। ইউএনওর ফোন পেয়েই তিনি মাছ বাজার এলাকায় উপস্থিত হন।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাজার উন্নয়নের কাজ চেয়ারম্যানের দায়িত্বে হওয়ার কথা থাকলেও ইউএনও নিজের ইচ্ছামতো পছন্দনীয় ঠিকাদারকে কাজ দেন। তখন ঠিকাদারকে দেওয়ার জন্য ইউএনও ১০ লাখ টাকার একটি চেক চেয়ারম্যানকে দেন। কিন্তু ঠিকাদার সময়মতো কাজ শুরু করেনি। এজন্য কাজের অগ্রগতি নেই। এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে গালমন্দ করেন ইউএনও। এ সময় চেয়ারম্যানকে ‘লাথি মেরে খালে ফেলে দিব, তোর মতো এক চেয়ারম্যানকে বাড়ি পাঠিয়েছি, তোকেও পাঠাব, গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যাব’ বলে হুমকি দেন ইউএনও।
ঘটনার সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুর রহমানসহ বাজারের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান চেয়ারম্যান।
ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইউএনও আমাকে লাথি মেরে খালে ফেলে দেওয়া ও গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আমি মানসিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। ইউএনওর নিয়োগ দেওয়া ঠিকাদার নানা অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করছে। কিন্তু ইউএনও তা মাথায় নিচ্ছেন না। ঠিকাদারকে দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকার চেক আমি নিতে পারব না। ইউএনওর অশালীন আচরণের বিচারের জন্য আমি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দকে ফোন দেওয়া হলে তিনি ধরেননি।
যোগাযোগ করা হলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নুর-এ-আলম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবগত নয়। তবে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।