বুধবার , ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১লা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

গোপালপুরে মাঠে মাঠে ম-ম গন্ধে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে সরিষা ফুল

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৩
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মাঠে মাঠে এখন সরিষার ফুলে ভরে গেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি মাঠে সরিষা ফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে সরিষা ফুল হাসছে এবং হলুদের গালিচা বিছিয়ে রেখেছে কেউ। হলুদ ফুলের এ দোলা দেখতে এখন দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা মাঠে ভিড় করছেন।
উপজেলা আলমনগর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া মো. আজহার আলী, আমি সরিষা চাষ করি। গত বছর সরিষা চাষে ভালো ফলন পেয়েছিলাম। এবার ৪০ শতক জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সরিষা ভালো হয়েছে। আশারাখি গতবারের তুলনায় এবার দাম অনেক বেশি পাব।
উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মহানপুর বাজারের কামাখ্যা বাড়ি গ্রামের চাষী রাজা মিয়া বলেন, সর্বসময় বারো মাসি ফসল উৎপাদন করি। এ ফসল গুলোর মধ্যে সরিষা অন্যতম। ধানের পরেই আমি এবার ১৫ বিঘা জমিতে এ চাষ করেছি। সরিষা চাষে পরিচর্যা কম লাগে শুধু নিয়মিত দেখাশুনা আর ঠিকমতো ঔষধ ছিটিয়ে কাজ করতে হয়। ফলন ভালো হতে হলে কৃষি বিভাগের মাঠ পরিদর্শকদের পরামর্শ দরকার। আমি নিয়মিত তাদের সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ করছি।
উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের আতিকুর রহমান কুমুল্লি গ্রামের সরিষা চাষী মো. আতিকুর রহমান আতিক জানান, আমি প্রতি বছর সরিষা চাষ করে আসছি। এ চাষে পরিশ্রম কম ফলনও ভালো। সার ও ঔষধ নিয়মিত সময়ে দিলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। আমি এবার ৩০ শতক জমিতে সরিষা চাষ করেছি। এবার আমার সরিষা ভালো হয়েছে। এখন গাছে গাছে ফুল এসেছে। আর কিছুদিনের মধ্যে ছোট ছোট গুটি গুটি সরিষা দানায় পরিণত হবে। সরিষা ফুলের অপরুপ সৌন্দর্য দেখতে ইতিমধ্যে আমার ক্ষেতে সকাল বিকাল মানুষের ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে।
গোপালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামিনা ইয়াসমিন বলেন, এবার গোপালপুর উপজেলায় ৪ হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে, উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন ও আলমনগর ইউনিয়নের সরিষার চাষ সবচেয়ে বেশি করা হয়, এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সরিষার উৎপাদন হবে বলে আশা করছি।
চলতি বছর এবার উপজেলায় সরিষা চাষ অনেক বেশি হয়েছে।
এছাড়া সরিষা চাষে জেলার কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া নিয়মিত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, মাঠকর্মী, ও মাঠ পরিদর্শকরা এ চাষকে আরো উন্নত ও ফলন বাড়াতে তৃণমূল কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করে আসছেন। এবার সরিষার বাম্পার ফলন ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশা করেন এই কর্মকর্তা।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।