বুধবার , ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১লা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

শাজাহানপুরে অবৈধ ভাটা গুড়িয়ে দিলেও আবারো নতুন করে নির্মাণ

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
বগুড়ার শাজাহানপুরে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা তিনটি ইটভাটা চিমনি  গুড়িয়ে দিলেও এর এক মাস পর তিনটি ইটভাটার মধ্যে দুটির চিমনি নতুন করে নির্মাণ করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
গত ১৭ নভেম্বর বগুড়া শাজাহানপুর  উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের সুজাবাদ গ্রামের অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা তিনটি ইটভাটার চিমনি ভেঙে দেন সহকারী কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইম। হাইকোর্টের আদেশে অবৈধ ইটভাটাগুলো বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তিনি।
সেই অভিযানে উপজেলার  সুজাবাদ গ্রামের মীর ভাটা, বগুড়া ভাটা ও বদর  ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইটভাটা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা তিনজনকে নগত ১০ হাজার করে সর্বোমোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে ওই তিন ইটভাটার চিমনিসহ অন্যান্য অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়।
তবে, ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানের কিছুদিন পর থেকেই গুড়িয়ে দেয়া তিনটি ইটভাটার মধ্যে মীর ও বগুড়ার ব্রিকস চিমনি নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করে। খুব দ্রুত তারা ইটভাটার চিমনি নির্মাণ করে। পরবর্তীতে ওই দুই ইটভাটায় ইট প্রস্তুত করা হচ্ছে।
মীর ব্রিকস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আবু জাফর ও বগুড়ার ব্রিকস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জুয়েল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে ইটভাটার কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি নিয়েছি। শুধু এই সেজেনে ইট প্রস্তুত করার অনুমতি দিয়েছে। পরে ইটভাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তবে এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইম বলেন, ‘মীর ও বগুড়া ব্রিকস ইটভাটা গুড়িয়ে দেয়ার পরেও তারা নতুন করে চিমনি নির্মাণ করে কার্যক্রম শুরু করেছে-এ বিষয়ে  আমার জানা ছিল না। ওই এলাকায় স্থানীয় সড়ক, কৃষিজমিসহ ঘনবসতি আছে। তারা কোনোভাবেই ইটভাটা নির্মাণের অনুমতি পাবে না।
পরিবেশ অধিদফতরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বলেন, ‘ইট ভাটাট চিমনির কাজ  নতুন করে শুরু করায়  ওই দুই ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি বলেনঃ সুজাবাদ গ্রামে কৃষি কাজ বেশি হয়ে থাকে।এখানে ধান,গম,আলু,সবজি জাতীয় ফসল বেশি বেশি ফলে। এই ইট ভাটার ধোঁয়াই ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এলাকায় আজ জাম কাঠাল নারিকেল এসব গাছে মুকুল আসার পর নষ্ট হয়ে যায় ফলে ফল পাওয়া যায় না।এবার ওই ভাটা গুলোতে ছোট চিমনি দেওয়া হচ্ছে পাশেই ধানের জমি আছে। এতে করে ফসল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।আবার বায়ু দূষণ হচ্ছে  ব্যাপক হারে।
উল্লেখ্য,এর আগে সুজাবাদ গ্রামে প্রায় ১৯ টি ভাটা ছিলো। জুন মাস থেকে  পর্যায়ক্রমে ৩ ভাগে হাইকোর্টের নির্দেশে অবৈধ ভাটা ধ্বংস করার কার্যক্রম শুরু করেছিলেন  জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।