কিন্তু উপজেলা প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তারা গাছ চুরি ও পাচারের অভিযোগে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধার এডভোকেট শামসুল আলম জানান, বিনানুমতিতে অধ্যক্ষ সাহেব গাছে কেটে অন্যায় করেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অধ্যক্ষ আবুল কালাম জানান, তিনি গাছ চুরি করেননি। গোপনে কাটেনি। তিনটি গাছ ঝড়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। আর নতুন ভবনের ছাদঢালাইয়ের জন্য তিনটি গাছ কাটা অপরিহার্য ছিল। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মৌখিক অনুমতিক্রমে কয়েকটি গাছ কাটা হয়। গাছ বিক্রির টাকা মাদ্রাসার ক্যাসে জমা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজ মল্লিক জানান, গাছ কাটার ক্ষেত্রে কিছু সরকারি আইনকানুন রয়েছে। অধ্যক্ষ সেই আইনের তোয়াক্কা না করে গাছ কর্তন ও বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে। তদন্ত রিপোট পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাকে কখনো মৌখিকভাবে গাছ কাটার জন্য কোন অনুমোদন দেয়া হয়নি।
মঙ্গলবার , ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
অবৈধভাবে গাছ কর্তনের প্রতিবাদে অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন
প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২
গোপালপুর উপজেলার বাংলাবাজার ছামাদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যাপক মোঃ আবুল কালাম এর অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের গাছ কর্তন ও অর্থ আত্মসাৎ এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার বেলা ১১ টার দিকে অত্র মাদ্রাসার সামনে অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী এ সময় বক্তব্য রাখেন মোঃ শাহাদাৎ হোসেন ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, বিপ্লব পন্ডিত, যুগ্ন আহবায়ক হেমনগর ইউনিয়ন যুবলীগ, হাফিজুর রহমান ছাত্র লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক হেমনগর, আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ সাবেক অভিভাবক সদস্য , সোহেল , যুবলীগ নেতা, ফজল যুবলীগ নেতা প্রমুখ