মঙ্গলবার , ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সাতক্ষীরা আশাশুনির মোস্তাফিজের খপ্পরে পড়ে অসহায় রুবিনা

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২
সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার কুল্লা এলাকার মোস্তাফিজের প্রতরনায় পড়ে অসহায়ত্ব জীবন যাপন করছে রুবিনা খাতুন।
  মামলার সুত্রে  জানা গেছে,
 আশাশুনি উপজেলার কুল্লোর মোড় এলাকার মোঃ মতিয়ার রহমানের পুত্র মোঃ  মোস্তফিজুর রহমান (৩৫) এর সাথে সদর উপজেলার দহখোলা গ্রামের রুবিনা এর সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মোস্তাফিজ রুবিনার সাথে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন  জায়গায় দেখা করত ও মোবাইলে নিয়মিত দুজনে প্রেম ভালোবাসা আদান প্রদান করত। এক পর্যায়ে রুবিনাকে বিবাহ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় মোস্তাফিজ এবং শহরের একটি বাসা ভাড়া করে স্বামী স্ত্রী রুপে সংসার বাধে। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই মোস্তাফিজ ভুক্তভোগী রুবিনাকে ছেড়ে চলে যায়  এবং আর যোগাযোগ না রেখে তার সাথে প্রতরনা করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রুবিনা  প্রতিবেদকে জানান,
 মুস্তাফিজ ও আমি দুজন দুজনকে ভালোবাসি। মোস্তাফিজের কথা রাখতে দুজন গত ছয় ই এপ্রিল ২০২২ পালিয়ে গিয়ে সাতক্ষীরা শহরে পলাশ পোল এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকি। পরে বিয়ে না করেও মোস্তাফিজ আমার সাথে  দৈহিক মেলামেশা করতে চাইলে আমি বাধা দেই। কিন্তুু মোস্তাফিজ আমাকে বিয়ে করবে তো এমন নানা কথা বলে আমাকে উন্মদ করে ফেলে। এক পর্যায়ে  জোরজবরদস্তি করে আমার
মেলামেশা করে।
পরে আমি মোস্তফিজ কে বিবাহের কথা বললে তালবাহানা করতে থাকে।এক ঘরে এক জায়গায় ভাড়া বাসায স্বামী স্ত্রী রুপে প্রায় প্রতিদিনই জোরপূর্ব ভয় ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করতে থাকে আমাকে। এসব আর চলবে না আমাকে বিয়ে করতে হবে এমন চাপ দিতে থাকলে মোস্তফিজ আমাকে এড়িয়ে যেতে থাকে।
মোস্তাফিজ আমার  সাথে আর কোন প্রকার যোগাযোগ রাখে না। আমি মোবাইলে কল দিলে রিসিভ করে না। মোস্তাফিজুরের প্রতারণার মনোভাব বুঝতে পেরে আমি তখন বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিকট জানায়। পরে
 গত ৩০ শে অক্টোবর ২০২২ তারিখ আমার বাবার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষীদের সামনে সালিশ বৈঠক হয়। সেই সালিশে গত  ৫ ই নভেম্বর ২০২২  তারিখের মধ্যে আমাকে  রেজিস্ট্রি করে যথাযথ স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে দাম্পত্য জীবন শুরু করবে বলে অঙ্গীকার করে সেখান থেকে চলে যায়।
তারপরের দিন থেকে আমার সাথে সম্পূর্ণ যোগাযোগ  বিচ্ছিন্ন করে দেয় মুস্তাফিজুর।
এরপর আমি গত ১৫ই নভেম্বর 2022 তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে  একটি মামলা করি। মামলার কপি  ও সুত্র মারফত জানা যায়,
  পিটিশন ৫৬০ /২২ নং মামলায় পুলিশ আসামিকে আটক করে আদালতে সোপার্দ করে।
আসামি আদালত থেকে জামিন নেই। জামিনে মুক্ত হয়ে ভুক্তভোগীকে নানা রকম ভাবে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করছে। স্হানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুক্তভোগীর নামে কুরুচিপূর্ণ সংবাদ পরিবেশন করাচ্ছে।
অথচ মোস্তাফিজুর রহমান ভুক্তভোগী জীবনের যে ক্ষতি করেছে তার কঠোর শাস্তির জন্য বিঞ্জ আদালত সহ প্রশাসনের সু দৃষ্টি  কামনা করেছেন। ভুক্তভোগী রুবিনা জানান, মোস্তাফিজুর ইতিপূর্বে একাধিক মেয়ের সঙ্গে এরকম প্রতরনা করেছে আমি তার সাথে থাকার পরে সব জানতে পেরেছি।
আমি এক জন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এবং আমার পিতা একজন অবসর প্রাপ্ত বি জি বি সদস্য। সব থেকেও আমার এখন কেউ নেই শুধুমাত্র মোস্তাফিজুর এর কারনে তাই মোস্তাফিজুরের সংসারে আমি সংসার করতে চাই।  তার সাথে আমি সংসার না করতে পারলে, আমাকে মোস্তাফিজ না নিলে
 আমি আত্নহত্যা করবো।
এর জন্য দায়ী থাকবে মোস্তাফিজ। আমি তার সাথে যেন সংসার করতে পারি এভাবে আহযারি করতে থাকে অসহায় রুবিনা। বিষটি মান্যবর জেলা প্রসাশকের সুদৃষ্টি কামনায় সঠিক বিচার পাইয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।