সোমবার , ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নাগরপুরে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে সেতু ক্ষতিগ্রস্তের আশংকা

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে মির্জাপুর-নাগরপুর ভায়া মোকনা কেদারপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে অবস্থিত শেখ হাসিনা সেতু (কেদারপুর সেতু)। বিগত কয়েক বছরের নদীর অব্যাহত ভাঙনে সেতুর আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের ফসলি জমি সহ শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
 সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পিলার সংলগ্ন মাটি ধসে গিয়েছে। এছাড়াও ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনে সর্বস্বান্ত হয়ে নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে আফাজ আলী বলেন, আগ্রাসী হয়ে ওঠা এই নদীর ভাঙনের হুমকীর মুখে রয়েছে আমাদের ভিটামাটি। জিও ব্যাগ ফালিয়েও ভাঙন রোধ হয়নি। প্রায় ১০০ ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখানে একটা বাঁধ নির্মাণ হলে আমরা রক্ষা পেতাম। এদিকে অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য সেতু ও এলাকা হুমকীর মুখে পড়েছে বলে জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রহমান জানান, এখানে নদীর পাড় ভেঙে পুরো একটি এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। অতিরিক্ত বালু উত্তোলনের জন্য নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। এছাড়াও সেতুর পিলারের মাটি সরে যাচ্ছে।
মোকনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, আমাদের ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত এই কেদারপুর এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। আরো ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। আমি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও নাগরপুর ইউএনও বরাবর আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, মোকনায় নদী ভাঙন রোধে প্রথম দিকে ৬,৪০০ জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার পরেও ভাঙন রোধে আরো জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড টাঙ্গাইল জেলা অফিস প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মুঠোফোনে জানায়, আমরা ভাঙন জায়গা পরিদর্শন করেছি। সেখানে ভাঙনের মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। ঢেউয়ের আঘাতে নদীর পাড় ভাঙছে কিছু মাটি সরে যাচ্ছে এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সেতুর পিলার থেকে মাটি সরে যাচ্ছে দেখে পিলার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এমন চিন্তার কোনো কারণ নেই। তারপরও উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বাজেট হলে উন্নয়ন করে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে মোকনা পংবরোটিয়া এলাকায় ভাঙন রোধে ৬ হাজার ৪০০ জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। এরপরেও অব্যাহত ভাঙনে সম্প্রতি সেতুর পিলারের মাটি সরে যাওয়া সহ ফসলি জমি,বাড়ি-ঘর বিলীন হয়েছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।