শুক্রবার , ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

চৌহালীতে ভাঙ্গণ রোধে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চর নাকালিয়া গ্রামসহ আশপাশের ৭ গ্রামের মানুষ গত শুক্রবার চর নাকালিয়া জামে মসজিদে জুম্মার সামাজ শেষে যমুনা নদীর পাড়ে দাড়িয়ে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গণ রোধে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত গ্রামগুলো হচ্ছে চর নাকালিয়া, দেওয়ানগঞ্জ, চর বিনানুই, মিটুয়ানি,চর সলিমাবাদ, ভূতের মোড়, রেহাইপপুকুরিয়া। আব্দুল করিম মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন,মওলানা কারী মোঃ নাসির উদ্দিন। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, চর নাকালিয়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মওলানা মোঃ ময়নুল ইসলাম,ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন,দুলাল শেখ,আবু সামা প্রমুখ। বক্তারা বলেন,বর্ষা মৌসুম থেকে চৌহালী উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলে ১০টি গ্রামে ভয়াবহ আকারে যমুনা নদীর ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে। এ ভাঙ্গণের তান্ডবে এ সব গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক বাড়িঘর,ফসলি জমি,তাঁত কারখানা,প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাখিলমাদরাসা, মসজিদ,কবরস্থান ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এতে নিঃস্ব হয়ে গেছে প্রায় ২ হাজার মানুষ। তারা আরও বলেন, এই ভাঙ্গণ রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে আবেদন নিবেদন করেও কোন কাজ হয়নি। তারা এ ভাঙ্গণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোজ খবর নেয়নি। ফলে তাদের কাছে আর নয়, এ ভাঙ্গণ থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে এ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ দোয়া মোনাজাতে আল্লাহ যেনো আমাদের জান-মাল হেফাজত করেন এবং নদী ভাঙ্গন রোধের কামনা করা হয়। এদিকে চর নাকালিয়া ও দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকার ১০টি বাড়িঘর ও ঘোরজানে মুরাদপুর এলাকায় ৪টি বাড়ি গত ২দিনে যমুনা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। নিঃস্ব এ সব মানুষ খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মিটুয়ানি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম মস্তফা বলেন, বড় আশা করে ছিলাম নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ হবে। কত প্রতিশ্রুতি শুনলাম কাজ নেই তাই আমাদের পিট দেওয়ালে এখন ৩/৪’শ ছাত্র ছাত্রীর পাঠদান ও বদ্যালয় ঘর নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছি। এ বিষয়ে ঘোরজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রমজান আলী বলেন,ভাঙ্গণের র্তাডবে আমার বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছি। মানুষজন খুবই অসহায় জীবন যাপন করছে। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার বলেছি। তারা ব্যবস্থা না নেয়ায় আর বলি না। এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফসানা ইয়াসমিন বলেন, ভাঙ্গণ কবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বস্তা ফেলার কাজ অব্যহত আছে। এছাড়া এ ভাঙ্গণ রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে এ বছর ৪৫/৪৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। এটি অনুমোদন হলে আর এ সমস্যা থাকবে না। এছাড়া ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। অচিরেই এদের সাহায্য সহডোগিতা করা হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।