রবিবার , ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ২৭শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নাগরপুরে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাকে মৃত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাকে কাগজ পত্রে মৃত দেখিয়ে এককালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হোসেন। সে উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের তরফরাম ঘুনিপাড়া গ্রামের মো. বদর উদ্দিন মিয়ার ছেলে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হোসেন দেশ স্বাধীনের পর দীর্ঘ দিন দেশে না থাকার সুযোগে একটি কুচক্রিমহল তার বাবাকে হাত করে এমন কাজ করেছেন বলে অভিযোগে জানা যায়। জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হোসেন এ ঘটনার সুষ্ঠুতদন্তের জন্য নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি অভিযোগ করেন।
ভূক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনের অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,  ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ডাকে বাংলার রাখাল ছেলেরা মুক্তিযুদ্ধের জন্য ঝাপিয়ে পড়েন। ৩০ লক্ষ শহিদের ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়। যারা নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন। বর্তমান সরকার জাতির এই বীর সন্তানদের সর্বোচ্চ সম্মানে সম্মানীত করেছেন। শুধু তাই নয় একটু স্বচ্ছল ভাবে জীবন যাপনের জন্য সরকার ভিবিন্ন ভাতা চালু করেছেন। সরকারের সেই  উদ্দেশ্যকে ব্যহত করে  টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাকে মৃত দেখিয়ে ভাতা উত্তোলন করছে একটি কুচক্রিমহল। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন (অবঃ) সেনা সদস্য তার গেজেট নং ৭০৮৪। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় বীর মুক্তিযোদ্ধদের সমম্বিত তালিকায় ঢাকা বিভাগ টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলায় তার ক্রমিক নং ৫২১ ও পরিচিতি নম্বর ০১৯৩০০০৭৫৬৮। দীর্ঘদিন চাকরীর সুবাদে দেশের বিভিন্ন জাগায় তার থাকতে হয়েছে। চাকরি শেষে সে তার মুক্তিাযোদ্ধার সনদসহ সকল কাগজ পত্র তার মায়ের কাছে রেখে ভারতে চলে যান । দীর্ঘ দিন পর বাড়ী ফিরে এসে তার চাকরীর ও মুক্তিযোদ্ধার সকল কাগজ পত্র খোজ করেন। বাড়ীর লোকজন সকল কাগজ পত্র হারিয়ে গেছে বলে জানান। পরে তিনি জানতে পারেন তাকে মৃত দেখিয়ে তার পিতা বদর উদ্দিন প্রতারক চক্ররের সাথে হাত মিলিয়ে তার মুক্তিযোদ্ধার ভাতা উত্তোলন করে আসছে। বয়সের কারনে সে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত অবস্থায় বর্তমানে বেকড়া ইউনিয়নের মুশুরিয়া গ্রামে তার বোনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
এ প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, আমাকে মৃত দেখিয়ে যারা ভাতা উত্তোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। একই সাথে তিনি তার ভাতা নিজের নামে ইসু করার দাবি জানান।
নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।