“বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশকে চল্লিশ বছর পিছিয়ে দিয়েছে অপশক্তির দল। ১৯৭৫’র ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি ওরা। তার পরেও বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করেছে ওরা। স্বয়ং আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আর খুনিদের বিচার মুজিব কন্যা বাংলার মাটিতেই করেছেন। বিএনপি এই দেশে আবার সা¤প্রদায়িক রাজনীতি পুনরুদ্ধার করতে চায়। তারা কোন দিন এই দেশের মঙ্গল সইতে পারে না। তারা কোন দিন বাংলাদেশের উন্নয়নকে ভাল চোখে দেখতে পারে না। প্রত্যেকটি উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে। বিএনপির ব্যাপারে আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সজাগ থাকতে আহ্বান করেন তিনি।”
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেছেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং কেদ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মূখপাত্র আমির হোসেন আমু।
তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ৪০ বছর আগেই বিশ্বের আকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন হতো। তবে তার কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবার স্বপ্ন পুরণ করে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে।’
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠি শহরের সাধনার মোড়ে বুধবার বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম।
সভায় বক্তৃতা দিয়েছেন দলটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, আমু কন্যা ব্যারিষ্টার সুমাইয়া আক্তার (অদিতি), আ’লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর বাবু তরুন কর্মকার, পৌর কাউন্সিলর মো. হাবিবুর রহমান (হাবিল) জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদ, পৌর কাউন্সিলর কামাল শরীফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ (মধু) ও সাধারন সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম (পারভেজ)সহ আর অনেকে। দুপুর থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসেন দলীয় নেতা কর্মীরা। শোক দিবসের আলোচনা সভা জনস মুদ্রে পরিণত হয়।