টাঙ্গাইলে বাসাইল উপজেলা পরিষদ ও পৌর সভার যৌথ ব্যবস্থাপনায় ঐতিহ্যবাহি প্রাচিনতম বাসাইল হাটে গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগি ক্রয়-বিক্রয় চলছে । প্রায় কয়েক যুগ আগেও এই হাটটিতে নিয়ামিত ভাবে পশু ক্রয়- বিক্রয় হতো। কিন্তু কালের পরিবর্তনে হাটটি ধীরে ধীরে ঐতিহ্যবাহী হয়ে উঠেছে। কিন্তু হাটটিতে সরকারিভাবে ভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহি বাসাইল হাটটি আগের জল্যুসে আবারও স্বরূপে যৌবনে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। জমে ওঠেছে পশুর হাট। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে মাত্র ২ দিন বাঁকী এতেই ক্রেতা বিক্রায়তার পথচলনায় ভারী হয়ে উঠেছে হাট প্রাঙ্গণ। গরু ছাগল উঠেছে অনেক ক্রয় বিক্রিও হচ্ছে জমজমাট। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকট কম থাকায় ঈদুল আযহার হাট জমজমাট হয়ে উঠেছে। শক্রবার (৮ জুলাই) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ঐতিহ্যবাহি প্রাচিনতম গরু-ছাগলের হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসাইল উপজেলা প্রাচিনতম হাটে ইজারাদারা গরু ছাগল ও হাঁস মরগির খাজনা আদায় করছেন অতি কম গরু ৫০০ টাকা, ছাগল ২০০ টাকা হারে।
এই হাটে এসেছে প্রায় ১৫ শো থেকে ২০০০ গরু। ক্রেতাও ছিল অনেক। আশপাশের লোকজন ও কিশোরদের গরু হাটে ঘুরতে দেখা যায়।
পশুর হাটের এক জন গরু ব্যবসায়ী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন , ২০ দিন আগে কাইতলা হাট থেকে ২১টি গরু নিয়ে এখানে আসছি। আমার এই চারটি গরুতে খরচ হয়েছে ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। লাল গরুটার দাম উঠছে ৮৮ হাজার টাকা। আর সাদা গরুর দাম চাই ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। এখন বাজার দরের অপেক্ষায় আছি। যে দাম আসবে সেই দামে বিক্রি করবো। লাভ-ক্ষতি যাই হোক বিক্রি করে বাড়ি যাবো।
গরু-ছাগলের হাটের আরও এক ব্যবসায়ী মোঃ মিনহাজ আমি বলেন, সকালে গরু নিয়ে হাটে আসছি। এবার পাবনার ফরিদপুর থেকে ১৯টি গরু আনছি। এখানকার ইজারাদার থেকে থাকা খাওয়া দাওয়াসহ কর্তৃপক্ষের সকল ব্যবস্থাপনায় আমরা খুবখুশি।
এক ক্রেতা মোঃ মাসুদ রানা বলেন অন্য অন্য বছরের তোলনায় এই বছর গরু দাম একটু বেশি।