বৃহস্পতিবার , ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

অভয়নগরে বে-সরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে গলাকাটা বাণিজ্য, মানা হচ্ছেনা সরকারি নির্দেশনা

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৩ জুন, ২০২২
যশোরের অভয়নগরে স্বাস্থ্য বিভাগ ঘোষণা ৭২ ঘন্টার সময় বেধে দেয়ার পরেও উপজেলায় অবৈধ অননুমোদিত ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠা ( প্রাঃ) হাসপাতাল ক্লিনিক গুলো কেন  যে বন্ধ হলোনা তা অভয়নগর বাসির মনে প্রশ্ন জেগেছে ৷ নওয়াপাড়ায়  প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে রমরমা গলাকাটা বানিজ্য ৷ গ্রাম্য-হাতুড়ে ডাক্তার নামধারীরা এইসব হাসপাতালের মালিক সেজে বসে থাকে ৷ জানাগেছে , চিকিৎসা সেবার নামে গড়ে উঠা প্রাইভেট হাসপাতালের নিয়োজিত কিছু দালাল চক্র দুর-দুরান্ত থেকে আসা সহজ-সরল নিরীহ রোগীদের কাছ থেকে হাজার হাজার অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ৷ হাসপাতাল গুলো চলছে  স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে ৷ ফলে সাধারণ মানুষ অর্থ খরচ করেও উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৷ এসব হাসপাতালের মালিকরা বছরে লক্ষ লক্ষ অর্থ বানিজ্য করে আসছে ৷ সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে , হাসপাতাল গুলোয় ১০ শয্যার অনুমতি থাকলে ও  পাওয়া গেছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০শয্যা বিশিষ্ট ৷ যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ ৷ এসব(প্রাঃ)হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম,অব্যবস্থাপনা,অস্বাস্থ্যকর পরিবে-শের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ৷ সপ্তাহে একদিন ডাক্তার সিরিয়াল দিয়ে একের পর এক কসাইয়ের মত রোগি অপারেশন করে চলে যায়৷ রোগিদের দেখাশোনা করে তথাকথিত সেবিকারা ৷ রোগির অবস্থা যখন মারাত্মক মৃৃৃৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ে তখন হাসপাতালের মালিকেরা রোগিকে যশোর,খুলনা অথবা রাজধানীতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন ৷ ফলে রোগি হাসপাতাল ত্যাগ করলে পরবর্তীতে নানান জটিলতায় ভূগে মৃৃৃত্যুর মুখে পতিত হয় ৷ আরো অভিযোগ উঠেছে যে, অভয়নগরে শিশু বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার নেই , অথচ নবজাতক শিশুর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় অনবিজ্ঞ  ওয়ার্ড বয় ও সেবিকাদ্বারা ৷ অক্সিজেন লাগিয়ে তিন চারদিন পার  করতে পারলেই তাদের বাণিজ্য ৷  পরবর্তীতে   অক্সিজেন ও বেড ভাড়াবাবদ মোটা অংকের ভাউচার ধরিয়ে দেয় রোগির অভিভাবকের কাছে ৷ সেবা নিতে এসে প্রতারিত হচ্ছে অসহায় হত দরিদ্রসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ ৷  এভাবে যাতে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে  প্রতারিত না হয় তাই এ ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা সিভিল সার্জনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভূক্তভোগী সাধারণ রোগিরা ৷ এদিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব অবৈধ এবং অনিবন্ধিত হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা উপেক্ষিত হয়েছে। অভয়নগরে তেমন কোন পদক্ষেপ দেখা মেলেনি এখনও
কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই  হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে। উপজেলায়  অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক। যেগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ন্যূনতম সুবিধা নেই। অবৈধ এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতিনিয়ত রোগী প্রতারণার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরও এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে গড়িমসি করছে সিভিল সার্জন অফিস। সিভিল সার্জন অফিসকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ ক্লিনিক-হাসপাতাল চলছে। 

 

#CBALO/আপন ইসলাম

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।