বৃহস্পতিবার , ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

তাড়াশ উপজেলায় চালের দাম রাতারাতি বৃদ্ধি নিম্ম শ্রেণির মানুষের হাহাকার

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২
বোরো ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর পর গোলায় উঠতে শুরু করেছে নতুন ধান। আসছে বাজারেও। এখনো ধান কাটা পুরোপুরি শেষ হয়নি। বোরোর এ ভরা মৌসুমে বেড়েছে চালের দাম।
ব্যবসায়ীরা জানান, বড় মিলার ও শিল্প গ্রুপগুলো অস্বাভাবিকভাবে চাল মজুত করায় এক সপ্তাহে চালের দাম বস্তাপ্রতি ৩-৪শ টাকা বেড়েছে।
চালের পাইকারি মোকাম ও বড় শিল্প গ্রুপগুলোর কোনো চাল মিল নেই। অথচ প্যাকেটজাত করে বেশি দামে চাল বিক্রি করে। এসব কোম্পানিগুলো সারা বছরের চাল মজুত করে ফেলে। এতে বাজারে সংকট সৃষ্টি হয়। চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়’।
এদিকে, কয়েক মাস ধরে দেশে ভোগ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, এই চাপে মানুষের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস ওঠেছে। এখন নতুন করে চাপ বেড়েছে চালের দাম। টান পড়েছে ভোক্তার পকেটে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের কষ্ট আরেক দফা বেড়েছে।
উপজেলার বড় বড় চাল ব‍্যবসিক বলেন, ‘সয়াবিন তেলের মতো চাল মজুত করে সংকট সৃষ্টি করা হয়। এখন মোকামে চাল নেই বলেই জবাব দেয়। বাড়তি দামেও চাল দিতে চায় না। চাল আমদানি উন্মুক্ত করা হলে মজুতদারিদের লাগাম টেনে ধরা যাবে’।
তিনি বলেন, ‘বড় মোকাম ও কোম্পানির গুদামে অভিযান পরিচালনা করলেই সয়াবিন তেলের মতো লুকিয়ে রাখা চাল বেরিয়ে আসবে।’
মিলার ও আড়তদাররা জানান, সরকার ধান-চাল সংকট কর্মসূচি শুরু করার পর চালের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের কাছে ধান-চাল বিক্রি করতে হচ্ছে মিলারদের। সরকার ধান-চালের দর ঘোষণার পর পরই বেড়ে গেছে চালের দাম।
চালের পাইকারি মোকাম ঘুরে দেখা যায়, পাইকারিতে জিরাশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০শ টাকা দরে। ঈদের পরবর্তী সপ্তাহে তা বিক্রি হয়েছিল ২৭-২৮শ টাকা দরে। নূরজাহান সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে ২২-২২৫০ টাকা দরে। তা বিক্রি হয়েছিল ২০০০ থেকে ২০৫০ টাকা দরে। মিনিকেট আতপ বিক্রি হচ্ছে ২৮শ টাকা দরে। তা বিক্রি হয়েছিল ২৪ শ টাকা দরে। মিনিকেট সিদ্ধ বিক্রি হচ্ছে ২৫৫০ টাকা দরে। তা বিক্রি হয়েছিল ২২৫০ টাকা দরে। মোটা আতপ বিক্রি হচ্ছে ২২৫০-২১০০টাকা দরে। আগে বিক্রি হয়েছে ১৮শ টাকা দরে। গুঁটিসিদ্ধ বিক্রি হচ্ছে ২২৫০-২০০০ টাকায়। তা বিক্রি হয়েছিল ১৮শ টাকা দরে। মোটা সিদ্ধ বিক্রি হচ্ছে ১৮শ টাকায়। তা বিক্রি হয়েছিল ১৬শ টাকা দরে।
আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের দাবি, বড় মিলার ও শিল্প গ্রুপ ধান-চাল মজুতের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। প্রতি মৌসুমে বাজার অস্থির করে তুলে এসব মিলার-শিল্প গ্রুপ। পরবর্তীতে বাজার অস্থির করে ইচ্ছেমতো চালের দাম বাড়িয়ে দেয়। কৃষকের লাভ লুটেপুটে খাচ্ছেন এসব শিল্প মালিকেরা। সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বাজার দখল করে নিয়েছেন শিল্পপতিরা। আর পকেট কাটা পড়ছে ভোক্তাদের।
উপজেলার চালে বড় বড় মালিকরা বলেন শিল্প গ্রুপ ও মিলাররা প্রচুর পরিমাণে চাল মজুত করে চালের দাম বাড়িয়েছে। অথচ এখন চালের ভরা মৌসুম। দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। 

 

#CBALO/আপন ইসলাম

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।