বুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটের মানুষ এখন পানিবন্দি

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১৮ মে, ২০২২
পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে প্লাবিত অঞ্চল। সেই সঙ্গে বাড়ছে জনসাধারণের দুর্ভোগ।
সিলেটের ছয় উপজেলাসহ নগরীর বেশির ভাগ মানুষ এখন পানিবন্দি। আকস্মিক এই বন্যায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
সিলেটের নদ-নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সুরমা, কুশিয়ারা, ধলাই, পিয়াইন নদীসহ স্থানীয় সব হাওরও পানিতে টইটম্বুর। অকাল এই বন্যার কারণে অনেক জায়গায় রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। বাসাবাড়িতে পানি উঠছে।
সিলেটের প্রাণকেন্দ্র শাহজালাল উপশহর অধিকাংশ ব্লক এখন বন্যা প্লাবিত। সেই নেই অনেক আবাসিক ব্লকে বিদ্যুৎ। ফলে বেড়েছে নগরবাসীর দুর্ভোগ।
সিলেট শহরে সুরমা নদীতে পাহাড়ি ঢলের পানির প্রবল স্রোতে সিলেট শহরে নদীর আশপাশের সড়কের কালভার্ট ভেঙে পড়েছে। কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার ফলে এর আশপাশের ১০ এলাকাসহ প্বাশবর্তী এলাকা লাউয়াই মেন্দিবাগ, মাছিমপুর, শেখঘাট, কুশিঘাট, কালিঘাট সোবহানীঘাট, উপশহর, কদমতলী, ভার্থখলা, তালতলা সহ আশপাশের প্রায় কয়েক হাজার মানুষের সদর ও উপজেলা শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে জরুরি প্রয়োজনে সেবা পাওয়া নিয়ে ভীষণ দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয়রা। শহরের পাশাপাশি উপজেলা গুলোতেও বন্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলার ভোক্তভোগীরা বলেন, জীবনে কতবার উজানের ঢল দেখেছি। ঢল নেমেছে আবার চলেও গেছে। ভারত থেকে উজানে ঢল নামলে এক বা দুই দিন পরই পানি উধাও হয়ে যেত। কিন্তু এ বছর যেন তার উল্টো দেখছি।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বন্যা পীড়িতরা জানান, অনেক বাড়িতে পানি ঢুকেছে।পানি এত তাড়াতাড়ি প্রবেশ করছিল কোনো আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে পারেনি অনেকে। সব কিছু যেন মুহূর্তের মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেল।
জকিগঞ্জের বীরশ্রী ইউনিয়নের সুপ্রাকান্দি গ্রামে কুশিয়ারা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করছে। ফলে সুপ্রাকান্দি, সোনারপুর সহ কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে গেছে। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছেন হাজারো মানুষ।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাইয়িদ চৌধুরী বলেন, আগামী কয়েকদিন এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তাছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বৃষ্টিও কমছে না। তাই পাহাড়ি ঢল নামছে এবং আমাদের দেশেও পানি বাড়ছে। 

 

#CBALO/আপন ইসলাম

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।