ইতিহাসে দেখেছি কুকুরের মাথায় টুপি পরিয়ে অপ-রাজনীতি করতে, ঠাকুরের মূর্তির পায়ের নিচে ধর্মগ্রন্থ রেখে সারা দেশে দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিতে, জ্বালাও-পোড়াও মতাদর্শে বিশ্বাসী নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাত সংগঠনের অন্যতম রোকন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সোয়ালিয়া গ্রামের মৃত কালু গাজীর পুত্র মোকছেদ আলী গাজী, যিনি সোয়ালিয়া দারুস সালাম জামে মসজিদের সভাপতি ।
একই এলাকার মৃত মোকছেদ আলী গাজীর পুত্র আব্দুর রাজ্জাক মসজিদের সেক্রেটারি ।
মসজিদের ক্ষতিসাধন ও মাহফিলের মঞ্চ ভাঙচুর সহ মাহফিলের বাজারে লুটপাট, এই মর্মে এলাকার নিরীহ ১০ জন ছেলের নামে মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মসজিদ ও মাহফিল ভাংচুরের মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা এই মসজিদের ভূমিদাতা ও তাদের পরিবার পরিজন ।
মসজিদের সভাপতি মোঃ মোকছেদ আলী ও সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাকের দেওয়া ১ ইঞ্চি জমি বা বিশেষ কোনো অবদান মসজিদে নাই,
বরং মসজিদের ২ শতক জমি সভাপতি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে । যেটা মাপ জরিপে স্পষ্ট হবে । অথচ যদের জায়গায় মসজিদ প্রতিষ্ঠিত, যাদের ভূমির অর্থে মসজিদ পরিচালিত হয়, সেই সমস্ত দাতা এবং তাদের পরিবারের লোকজনের ওপর সেই মসজিদের সভাপতি ও সেক্রেটারির দেওয়া মসজিদ মাহফিল ভাংচুরের মিথ্যা গায়েবি মামলা।
মসজিদ/মাহফিল ও ধর্মকে ব্যবহার করে মসজিদ কমিটির সভাপতি সেক্রেটারির দেওয়া মিথ্যা মামলার ঘটনাটি লিখিতভাবে উপদেষ্টা মন্ডলী কে জানিয়েছেন মসজিদের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ও এই মামলার আসামিগণ ।
মসজিদ কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা আলহাজ্ব শামছুর ডাক্তার, বলেন, মসজিদ মাহফিল নিয়ে আমাদের এলাকায় প্রচুর রাজনীতি হয়, তাই আমি এই কারণে উপদেষ্টায় থাকতে চাই নি, আমাকে জোর করে উপদেষ্টা বানানো হয়েছে- যেহেতু আমি উপদেষ্টা তাই আমি আমার জায়গা থেকে তাদের কাছে শুনে দেখবো মাহফিল সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে তার পরেও তারা কেনো মসজিদ মাহফিল ভাংচুরের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে ।
মসজিদ কমিটির আরো একজন উপদেষ্টা মোঃ আব্দুর রহিম গাজী বলেন, মানুষ এত নিচ মানসিকতা পূর্ণ হয় কিভাবে- কৌশলে মসজিদ কমিটিতে এসে মসজিদের ভূমিকা দাতা ও তাদের পরিবার পরিজনদের নামে মসজিদ-মাহফিল ভাঙচুরের মামলা দেওয়া এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, আমরা উপদেষ্টাগণ মসজিদ কমিটির সেক্রেটারী ও সভাপতিকে কারণ দর্শাতে বলবো মসজিদের ভূমিকা দাতা ও তাদের পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা কেনো দিয়েছে।
সোয়ালিয়া দারুস সালাম জামে মসজিদের একজন ভূমি দাতা আলহাজ্ব মোঃ ইউসুফ আলী এই প্রতিবেদককে জানান আমি মসজিদে জায়গা (ভূমি) দিয়েছি- আমরা ধার্মিক, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে আদায় করি- আমার ছেলের নামে মসজিদ মাহফিল ভাঙচুরের মিথ্যা মামলা, সোয়ালিয়া গ্রামের বাৎসরিক মাহফিল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে এবং আমাদের সকলের সহযোগিতায় মসজিদ পরিচালিত হয়ে আসছে- সুকৌশলে মসজিদের কমিটিতে এসে আমাদের নামে মসজিদ মাহফিল ভাঙচুরের গায়েবি মামলা দেওয়ায় আমার মরে যেতে ইচ্ছে হচ্ছে ।
#CBALO/আপন ইসলাম