ষাটোর্ধ মজিদা। নানা অসুখে আক্রান্ত। নেই নিজের কোন সন্তান-সন্ততি। অন্যের গলগ্রহ হয়ে কাটছে দু’সহ জীবন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে জীবনী শক্তি হ্রাস পাওয়ায় উঠতে পারছে না অশীতিপর বৃদ্ধা। ফলে সময়মত খাওয়া না পেয়ে দিনে দিনে নাস্তানাবুদ। শেষ আশ্রয় স্থল হিসাবে ঠাই হয়েছে ছোট ভগ্নিপতি রাজগাতী ইউনিয়নের বড়াইল ছয়ানীপাড়ার মো,মফিজের বাড়িতে। আশ্রয় দাতা মফিজও অন্যের উপর ডিপেন্ড। যিনি উক্ত ছয়ানীপাড়ার এক হিন্দু ভদ্রলোকের বদান্যতায় দানকৃত ভুমিতে কাটছে যাপিত সময়। ভগ্নিপতি মফিজ জানায়, জেঠাশ মজিদা খাতুনের বাড়ি তাড়াইল উপজেলার রাউতি গ্রামে। বিয়ে হয়েছিল চাচাতো ভাইয়ের নিকট। সেও ভুমিহীন থাকায় যাপিত সময় কাটে কখনো শিমলা কখনো কেন্দুয়ার পাইকুড়া গ্রামে। জীবনীশক্তি যখন ছিল তখন অন্যের দারস্থ হয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেছে। আজ পড়ন্ত বেলায় ভগ্নিপতির কাধে ভর করে চলছে খেয়ে না খেয়ে অশীতিপরের জীবন। কোথায় ও ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় পাচ্ছে না সরকারি সুযোগ সুবিধা। নেই বয়স্ক ভাতা নেই,,, ঈদপরবে কিছু সাহায্য। জীবনসায়াহ্নে এসে এ কষ্টের অবসান চায় !!
#CBALO/আপন ইসলাম