বুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নগরীর সৌন্দর্য্য বর্ধণের ইলিশ ঝর্না অচল ; চারিপাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

বিভাগীয় শহর বরিশাল নগরীর শোভাবর্ধনে বেশকিছু পার্ক ও ভাস্কর্য নির্মাণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু নগরীর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত সৌন্দর্য্য বর্ধনের ইলিশ ঝর্নাটি দীর্ঘদিন থেকে অচল হয়ে পরে রয়েছে। ঝর্নার চারিপাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে এখন ডাস্টবিনে পরিনত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, উদ্বোধনের পর ইলিশ ঝর্নাটি নগরীর জেলখানা মোড় এলাকার শোভাবর্ধনের পাশাপাশি রাতে আলোর ঝলকানিতে পথচারীদের বিমহিত করতো। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে র্দীঘ দুইবছরের অধিক সময় ধরে ঝর্ণাটি অচল হয়ে পরে রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝর্ণাটির বেহাল দশা। ময়লা আর আবর্জনার স্তুপ জমে এখন ডাস্টবিনে পরিনত হয়েছে। সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পরে রয়েছে, পানির পাম্প ও পানির ঝর্নার কলগুলো। নেই ইস্টিলের তৈরি পানিতে থাকা ইলিশ মাছের প্রতকি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিরাপত্তার অভাবে গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামগুলো চুরি হয়ে গেছে। বর্তমানে অযত্নে পরে থাকা উন্নতমানের পানির মোটরটিও নিরাপত্তার অভাবে যেকোন সময় চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

স্থানীয় চটপটি বিক্রেতা মামুন-অর রশিদ বলেন, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জেলখানার মোড়ে নির্মিত ইলিশ ঝর্ণাটি সিটি কর্পোরেশনের অবহেলার কারনেই অচল হয়ে পরেছে। ঝর্নাটির পানির হাউজে নেই কোন পানি, জলছে না আলোকসজ্জা, উপরে উঠছেনা ঝর্নার পানি।

স্থানীয় কবির হোসেন বলেন, বর্তমানে পথচারীরা ঝর্ণাটির সামনে থেকে হেটে গেলে তাদের মনে হয়না জেলখানার মোড়ে একটি ঝর্ণা রয়েছে। ঝর্নাটির সামনে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও সিএনজির স্টান্ড করা হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, ফুটপাতের ব্যবসায়ীসহ ইজিবাইক ও সিএনজির চালকরা ঝর্ণাটিকে বিকল করে রেখেছে। কারন এখানে সৌন্দর্য্য বর্ধনের ঝর্না সচল থাকলে তাদের ক্ষতি হবে বেশি। সেদিকে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কোন নজর নেই। সচেতন নগরবাসী শোভাবর্ধনের ইলিশ ঝর্ণাটিকে দ্রুত সংস্কার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য সিটি মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, জেলখানার মোড়ে শোভাবর্ধনের যে ঝর্না আছে, তা আমার জানা নেই। খুব শীঘ্রই সরেজমিন পরিদর্শন করে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ঝর্ণাটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অপরদিকে নগরীতে পর্যাপ্ত বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় নগরবাসী বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নগরীতে হাতেগোনা কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র থাকলেও তাতে নেই বিনোদনের তেমন কোন ব্যবস্থা। ফলে বিনোদন কেন্দ্র যাও আছে তাতেও দিন দিন বিনোদন পিয়াসীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

খোঁজনিয়ে হানা গেছে, নগরীতে সবমিলিয়ে সাতটি বিনোদন কেন্দ্র থাকলেও তা কেবলমাত্র নামেই। এরমধ্যে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়ছিল বেশ কয়েকটি বিনোদন স্পট। তারমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য-মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, স্বাধীনতা পার্ক, বিএম স্কুল সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা কাঞ্চন উদ্যান ও বঙ্গবন্ধু উদ্যান।

অপরদিকে বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত হয়েছেন নগরীর বান্দ রোডস্থ প্লানেট পার্ক। এছাড়াও প্রতিদিন অনেক বিনোদন পিয়াসী ভিড় জমাচ্ছে দপদপিয়া সেতুতে কিন্তু নগরবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায় পার্কগুলোতে দর্শনার্থীদের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। সবমিলিয়ে নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো নানা সমস্যায় জর্জড়িত হয়ে পরেছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অধীনে যেসব বিনোদন কেন্দ্র রয়েছে সেগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

#CBALO/আপন ইসলাম

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।