মঙ্গলবার , ১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নাগরপুরে ইফতার বাজার জমলেও ” খুশি নেই বিক্রেতা ও ক্রেতা “

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বাহারি আয়োজনে  নাগরপুরে জমে উঠেছে ইফতার বাজার।ইফতারি  বিক্রি হলেও বিক্রেতা ও ক্রেতা খুশী নেই। অপরদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায়, হতাশায় সাধারন মানুষ।
রোববার (৩ এপ্রিল ২০২২) রোজা প্রথম দিন থেকেই ইফতার বাজারে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত।প্রতিদিন বিকেল চারটার পর থেকেই নামিদামি ইফতার পণ্যের দোকান গুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। বিকেল চারটার পর থেকে ফুটপাতের ইফতারের দোকানগুলোতে মধ্য ও নিন্মবিত্ত পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়। সবমিলিয়ে রমজানের নবম দিনে জমজমাট হয়ে উঠেছে নাগরপুরের  ইফতার সামগ্রী বাজার। সদর বাজার ছাড়াও নাগরপুরের অন্যান্য হাটবাজারসহ অলিগলিতে ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে ইফতারির পসরা নিয়ে।
নাগরপুর বাজারের  ব্যবসায়ীদের দাবি, গত বছরের চেয়ে এবার ইফতার আয়োজনে অনেকটা নতুনত্বের ছোঁয়া রয়েছে। ইফতার সামগ্রীতে নতুন রেসিপি যোগ হলেও দামে তেমন কোন পার্থক্য নেই। তবে প্রতিবারের মতো এবারও নাগরপুরের ইফতার বাজার অনেকটাই হোটেল-রেস্তোরাঁর দখলে রয়েছে। সাথে কিছু ফাস্টফুডের দোকানেও বিক্রি হচ্ছে ইফতার সামগ্রী। এর বাইরে ঐতিহ্য অনুযায়ী, সড়কের পাশে মৌসুমী দোকানিরাও ইফতার সামগ্রীর সাজিয়ে বসেছেন। ইফতার বাজারের পাশাপাশি রমজানে ফলের বাজারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। খেজুর, পেয়ারা, পেঁপে, কলা, কমলা, আপেল, আঙ্গুর, মাল্টা, দখলে রয়েছে বাজার।
নাগরপুর বাজারের ব্যবসায়ী মামুন ও সফিক  জানান, এ বছর শুরু থেকেই  ইফতার বাজার আশানুরূপভাবে জমলেই খুশী নেই আমরা কারন ইফতার তৈরী উপকরণ ক্রয় করতে আমাদের বেশী খরচ পড়ে যায় কিন্তু সেইভাবে লাভ করতে পারতেছিনা।সময়ের সাথে সাথে বিক্রি আরও বাড়বে বলেও তারা আশাবাদী। আরও বলেন গেছে দুই বছর মহামারি করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে টানা লকডাউন থাকায় আমরা ইফতার তৈরী করে বিক্রি করতে পারিনি। এখন যেহেতু লকডাউন নাই সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে ফলে ইফতার সামগ্রী কিনতে ক্রেতাগণ আসছেন। বর্তমান দাম দর- পিয়াজি ২০০ কেজি, বুন্দি ও ছোলা ১৫০ কেজি, আলু ও বেগুন ছপ ৫ টাকা, ডিম ছপ ১০ টাকা, জিলাপি ১২০ কেজি, মুড়ি ৮০ টাকা কেজি।
ইফতার কিনতে আসা এক ব্যাংকার নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক না তিনি বলেন-আমি নিয়মিত অফিস থেকে ফেরার পথে ইফতার ক্রয় করে নিয়ে বাসায় ইফতার করি। আগে কয়েক প্রকার আইটেম যে টাকা দিয়ে পাওয়া যেত এখন এর ৫০% ও পাওয়া যায় না একই টাকা দিয়ে তাই পছন্দ ইফতার সামগ্রী নিতে পারি না।
এদিকে মাহে রমজান ও রমজানের ইফতার বাজারকে ঘিরে বাজার মনিটরিং এর জন্য নাগরপুর প্রশাসনের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যাপক তৎপরতায় রয়েছেন। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।