বান্দরবানের লামায় সরকারি ভর্তুকি মূল্যে ও নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে চলমান রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে লামা উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় টিসিবি’র পণ্য বিক্রি ২য় ধাপের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল,২০২২ইং) বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় লামা উপজেলায় ২য় পর্যায়ে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু করে উপজেলা প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায় , বৃহস্পতিবার উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ‘ইয়াংছা ও কুমারী বাজার’ দুইটি সেন্টারে ৮শত পরিবারের মাঝে টিসিবি’র পণ্য বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মেসার্স দিপালী এন্টারপ্রাইজ ডিলার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে পণ্য বিক্রি করেছে। ২য় পর্যায়ে লামা উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে তালিকাভূক্ত কার্ডধারী উপকারভোগী ১৯,৪২৬ পরিবার। ধারাবাহিকভাবে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় টিসিবির পন্য বিক্রয় করা হবে।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মোস্তফা জাবেদ কায়সার জানান, লামা উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ০৭ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার ৫৬০ টাকার বিনিময়ে ১১০ টাকা লিটার দরে দুই লিটার করে সয়াবিন তেল, ৬৫ টাকা কেজি দরে দুই কেজি মসুর ডাল, ৫৫ টাকা কেজি দরে দুই কেজি করে চিনি আর ৫০ টাকা ধরে দুই কেজি ছোলাসহ পাচ্ছে। এই কার্যক্রমের আওতায় লামা উপজেলায় ১৯,৪২৬ পরিবার (ফ্যামিলি কার্ডে) টিসিবি’র পণ্য পাচ্ছেন।
তিনি আরি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে টিসিবি’র পণ্য পৌঁছে দিতে এই কার্যক্রম চলছে। অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিটি টিসিবির পণ্য বিক্রি কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করে কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে বলে জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লামার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মোঃ আতিকুর রহমান, ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল হোছাইন চৌধুরীসহ অন্যান্যরা।
#চলনবিলের আলো / আপন